তুরস্কের চেহারা এখন পুরোপুরিই স্পষ্ট পুরো বাংলাদেশের কাছে। যুদ্ধাপরাধী মতিউর রহমান নিজামীর ফাঁসি নিয়ে তাদের অবস্থান আরো পরিস্কার করে তুলেছে তাদের ভাবমূর্তি। এই অবস্থায় ইউরোপীয় ইউনিয়নেরও উচিত তাদের চিনে নেওয়া। সেই সব বিষয় নিয়েই এবার ফেসবুকে পোস্ট দিয়েছেন প্রবাসী বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক আমিনুল ইসলাম।
নিজের ফেসবুকে তিনি লিখেছেন, ঠিক যেদিন ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের প্রেসিডেন্ট বলেছেন -তুরস্কের নাগরিকদের যদি ইউরোপীয় ইউনিয়নে ভিসা-ফ্রি সুবিধা পেতে হয় তাহলে অনেকগুলো শর্ত মানতে হবে। এই শর্তগুলোর মাঝে মূল শর্ত হচ্ছে-তুরস্ককে তাদের জঙ্গি দমন আইন পরিবর্তন করতে হবে।
ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রেসিডেন্ট পরিষ্কার করে বলেছেন- তুরস্ক যদি এই শর্ত না মানে, তাহলে ইউরোপের সাথে তুরস্কের সমঝোতা ভেঙ্গে যেতে পারে।
নিজামীর ফাঁসি কার্যকরের পর বাংলাদেশ থেকে তুরস্কের রাষ্ট্রদূত প্রত্যাহারের ব্যাপারে তিনি লিখেন, ঠিক এই একই দিনে তুরস্ক তাদের রাষ্ট্রদূতকে বাংলাদেশ থেকে ডেকে পাঠিয়েছে! কারণ একজন প্রমাণিত ও চিহ্নিত যুদ্ধাপরাধীর মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হয়েছে বাংলাদেশে। এ থেকে পরিষ্কার বোঝা যাচ্ছে রাষ্ট্র হিসেবে তুরস্ক বাংলাদেশে যুদ্ধাপরাধ ও জঙ্গিবাদকে সমর্থন করছে কিংবা করে আসছে।
এমন একটা রাষ্ট্রের নাগরিকরা ইউরোপিয়ান ইউনিয়নে ভিসা-ফ্রি সুবিধা পেলে ইউরোপের শান্তি-শৃঙ্খলা ভঙ্গ হতে পারে।
ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের প্রেসিডেন্ট এবং নেতাদের উচিত হবে এই বিষয়টি বিবেচনায় এনে তুরস্কের সাথে তাদের নাগরিকদের ভিসা-ফ্রি সমঝোতার বিষয়টি এখনই বাদ দেয়া।
ইউরোপীয় দেশগুলো মৃত্যুদণ্ডের বিপক্ষে। কিন্তু কেউ কি দেখেছেন ইউরোপের কোনো দেশের সংসদে এই নিয়ে নিন্দা প্রস্তাব পাশ হয়েছে কিংবা এর জন্য ইউরোপের কোনো দেশ তাদের রাষ্ট্রদূতকে ডেকে পাঠিয়েছে? না, পাঠায়নি। কারণ তারা জানে এটি আমাদের দেশের আইনে আছে। কিন্তু পাকিস্তান ও তুরস্ক এই কাজ করেছে। এ থেকেই পরিষ্কার বোঝা যায় দেশ দুটোর উদ্দেশ্য কী।
এরপর বাংলাদেশ সরকারকে উদ্দেশ্য করে আমিনুল ইসলাম লিখেছেন, আমি বাংলাদেশ সরকারের কাছে অনুরোধ করছি বিষয়টি আনুষ্ঠানিক ভাবে ইউরোপীয় ইউনিয়নকে জানানোর।







