চ্যাম্পিয়নস লিগের সেমি ফাইনালের প্রথম লেগে অ্যানফিল্ডে শক্তিশালী লিভারপুলকে প্রথমার্ধে আটকিয়ে রাখা গেলেও দ্বিতীয়ার্ধে আর পেরে ওঠেনি ভিয়ারিয়াল। ম্যাচের ৫৩ তম মিনিটে থিয়াগো আলকানতারা পর ৫৫ মিনিটে সাদিও মানে গোল করলে শেষ পর্যন্ত ২-০ গোলের জয় পায় ইয়ুর্গেন ক্লপের দল।
অ্যানফিল্ডে বিশাল লিভারপুল সমর্থকদের উল্লাসের মুহূর্ত পেতে দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষা করতে হয়েছে। তবে ম্যাচের শুরু থেকেই যেভাবে একের এক আক্রমণ ঠেকিয়েছে ভিয়ারিয়াল তাতে কিছুটা প্রশংসার দাবীদার তারও।
ম্যাচের ১১ মিনিটে সাদিও মানেকে উদ্দেশ্য করে মোহাম্মেদ সালাহর ক্রস জাল খোঁজে না পেলে অপেক্ষা দীর্ঘতর হতে থাকে। ম্যাচের ৪১ মিনিটে থিয়াগো আলকানতারার বুলেট গতির শট গোল বাড়ে বাধা পেয়ে ফিরে আসলে আরও একবার হতাশ হতে হয় ক্লপকে। শেষ পর্যন্ত লিড না নিয়েই বিরতিতে যেতে হয় লিভারপুলকে।
দ্বিতীয়ার্ধে নেমে আক্রমণে গতি বাড়ায় লিভারপুল। ম্যাচের ৪৯ মিনিটে ফাবিনহোর আল্তু টাস জাল খুঁজে পেলেও অফসাইডের কল্যাণে রক্ষা পায় ভিয়ারিয়াল।
তবে ৫৩ মিনিটে আর রক্ষা হয়নি। থিয়াগো আলকানতারার লম্বা করে বাড়ানো বল গোলরক্ষকের হাত ফসকে বেড়িয়ে গেলে উল্লাসের উপলক্ষ পায় লিভারপুল। প্রথম গোলের দুই মিনিট না পেরতেয় ফের সালাহর বাড়ানো বল আল্তু ছোঁয়ায় জালে জড়িয়ে ফের উল্লাসে মাতে লিভারপুল।
৬৩ মিনিটে লিভারপুল আরও একবার বল জালে জড়ালেও অফসাইডের বাধায় বাতিল হয় সেটি। বাকি সময় রক্ষণদুর্গ সামলাতেই বেশি সময় ব্যয় করেছে ভিয়ারিয়াল। গোল করার তাড়না খুব একটা চোখে পড়েনি। বেশ কিছু সহজ সুযোগ মিস করেছে লিভারপুলও ফলে ব্যবধান আরও বাড়ানো যায়নি।
আগামী ৪ মে মাদ্রিগালে ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে ফের মুখোমুখি হবে দু’দল।








