চ্যানেল আই অনলাইন
Advertisement
English
  • সর্বশেষ
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • রাজনীতি
  • খেলাধুলা
  • বিনোদন
  • অপরাধ
  • অর্থনীতি
  • আদালত
  • ভিডিও
  • জনপদ
  • প্রবাস সংবাদ
  • চ্যানেল আই টিভি
    https://www.youtube.com/live/kP-IVGRkppQ?si=_Tx54t8FAaVsH3IO
No Result
View All Result
চ্যানেল আই অনলাইন
En

তারল্য সঙ্কটের যথার্থ সমাধান

সাব্বির আহমেদসাব্বির আহমেদ
৬:৫০ অপরাহ্ণ ০৭, এপ্রিল ২০১৮
মতামত
A A

বেশ কয়েক বছর ধরে অতিরিক্ত তারল্যের চাপে ভুগছিল বাংলাদেশ। ১৩ সাল থেকে শুরু হওয়া রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা ১৫ সালে এসে স্তিমিত হলেও দেশি-বিদেশি বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফিরে আসতে ১৬ সাল পর্যন্ত সময় লাগে। ১৭ সালে এসে বিনিয়োগকারীরা রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা সম্পর্কে নিশ্চিত হন। শুরু হয় তাদের বিনিয়োগ। বেড়ে যায় ঋণের চাহিদা। ঋণের চাহিদা বৃদ্ধিকে একটা সুযোগ হিসেবে গ্রহণ করে বেসরকারী ব্যাংকগুলো। এই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে অধিক মুনাফা অর্জনের প্রচেষ্টা শুরু হয় সঙ্গে সঙ্গে। খেলাপি ঋণের পরিমাণও বাড়ে তাল মিলিয়ে। গত বছর সেপ্টেম্বর মাসে খেলাপি ঋণের পরিমাণ ছিল ১০.৬৭% যা তার আগের বছর ছিল ৯.২৩%। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নিয়ম-নীতির তোয়াক্কা না করে “যত পার ঋণ দিয়ে মুনাফা গড়” নীতি গ্রহণই বর্তমান তারল্য সঙ্কটের প্রধান কারণ।

আমানত গ্রহণের চেয়ে বেশি ঋণ দেয়ায় বেসরকারী ব্যাংকগুলোতে তারল্য সঙ্কট দেখা দিয়েছে এ বছরের শুরু থেকে। ২০১৭ সালে ব্যাংকগুলো আমানত সংগ্রহ করে ৮৫ হাজার কোটি টাকা আর তার বিপরীতে ঋণ দিয়েছে ১ লক্ষ ২৫ হাজার কোটি টাকা। বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক গত বছরের জন্যে নির্ধারিত আমানত-ঋণ অনুপাত অনুসারে যেখানে ব্যাংকগুলোর ঋণ দেয়ার কথা ছিল আমানতের ৮৫% সেখানে তারা ঋণ দিয়েছে আমানতের ১৪৭%। অন্যদিক থেকে দেখলে, এ সময়ে ১২% আমানত বৃদ্ধির বিপরীতে ঋণ বেড়েছে ১৯%। ঋণের টার্গেট ছিল ১৬.২%। আমানত না বাড়িয়ে টার্গেটের চেয়ে বেশি ঋণ দিয়ে বেসরকারী ব্যাংকগুলোর অতিরিক্ত মুনাফা অর্জনের লালসা থেকে বর্তমানের এই তারল্য সঙ্কটের সৃষ্টি।

এ বছরের ফেব্রুয়ারী মাসে ফারমার্স ব্যাংক বেশ কিছু আমনতকারীর টাকা ফেরত দিতে ব্যর্থ হলে তারল্য সঙ্কট আরও ঘণীভুত হয়। ফারমার্স ব্যাংকের কেলেংকারীর সুযোগ নিয়ে ব্যাংক গেল, ব্যাংক গেল বলে অর্থ বাজারে গুজব ছড়ায় কিছু অসাধু ব্যবসায়ী। এ সঙ্কট থেকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য চরিতার্থ করার লক্ষ্যে এদের সঙ্গে সুর মেলায় বিরোধী রাজনৈতিক দল সমুহের নেতা-কর্মীরা এবং তথাকথিত সুশীল সমাজ। এসব গুজবের ফলে তড়িঘড়ি করে কিছু আমানতকারী এবং সরকারী প্রতিষ্ঠানগুলো বেসরকারী ব্যাংক থেকে আমানত উত্তোলন করতে শুরু করলে তারল্য সঙ্কট বেড়ে যায় আরও। বেড়ে যায় সরকার এবং কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বহু পরিশ্রমে নামিয়ে আনা সুদের হার। বেসরকারী ব্যাংকগুলোতে ঋণের বিপরীতে সুদের হার ৩ – ৪% বেড়ে হয় ১০ – ১৩% যা ছিল ৮ – ৯%। সুদের হার বৃদ্ধিতে সকলের সঙ্গে উদ্বিগ্ন হয়ে উঠেন প্রধানমন্ত্রী নিজেও। মার্চ মাসের মাঝামাঝি সময়ে তিনি সংস্লিষ্টদের সতর্ক করে বলেন, “সুদের হার ডাবল ডিজিট হলে সরকার কঠোর হবে”। আমানত সংগ্রহ করে তারল্য সঙ্কট কাটাতে সচেষ্ট হয় ব্যাংকের লোকেরা। তারা আমানতকারীদের অফিসে অফিসে ধর্ণা দিতে থাকে। কারো কারো ক্ষেত্রে বাসায় গিয়েও আমানত সংগ্রহের চেষ্টা করে। আমানতের উপর সুদের হারও বেড়ে যায় অনেকখানী। তবুও কাটেনি তারল্য সঙ্কট।

গত বছর একদিকে যেমন ব্যাংকগুলো অতিরিক্ত ঋণ দিয়েছে তেমনি আরেক দিকে আমানত কম পেয়েছে। সঞ্চয় পত্রের সুদের হার বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর স্থায়ী আমানতের সুদের হারের চেয়ে বেশি ছিল বলে সাধারণ আমানতকারীরা ব্যাংকে ফিক্সড ডিপোজিট না করে বেশি সুদের সরকারী সঞ্চয় পত্র কিনেছে। এতে বেসরকারী ব্যাংকগুলো আমানত কম পেয়েছে। কেউ কেউ সঞ্চয় পত্রের উচ্চ সুদের হারকে তারল্য সঙ্কটের অন্যতম কারণ বলে চিহ্নিত করার চেষ্টা করছেন।

সঞ্চয় পত্রের মাধ্যমে অনেক টাকা সংগ্রহ হওয়ায় সরকার ব্যাংকিং সিস্টেম থেকে অনেক কম ঋণ নিয়েছে। অর্থাৎ বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোতে কম টাকা ঢুকেছে। সরকার অতীতের পরিমাণে ঋণ নেয়নি বলে বেসরকারি ব্যাংকগুলো থেকে বেরও হয়েছে কম টাকা। ফলে ব্যাংকগুলো কম আমানত পেয়েছে বলে কম ঋণ দিতে পেরেছে; মুনাফা করার সুযোগও পেয়েছে কম। তা হলেও এর ফলে তারল্য সঙ্কট বেড়ে যাওয়ার কারণ দেখি না। সরকার সঞ্চয় পত্র বিক্রি করে পর্যাপ্ত পরিমাণ ঋণ না নিতে পারলে সে পরিমাণ টাকা ব্যংকিং সিস্টেম থেকে ধার নিত। অন্যকথায়, সঞ্চয় পত্রের টাকা ব্যংকে ঢুকত এবং ব্যাংক থেকে বেড়িয়ে তা সরকারের কাছে যেত। যোগ-বিয়োগ করে তারল্যের পরিমাণ একই থাকত। সঞ্চয় পত্রের সুদের হার কমানোর জন্য সুশীলদের দাবী গ্রাহ্য করেনি সরকার। এই সুদ কমালে ক্ষতিগ্রস্থ হবে সমাজের অবসরপ্রাপ্ত বয়স্ক নাগরিকেরা যাদের খাওয়া-পড়া, চিকিৎসা এই সুদের হারের উপর নির্ভর করে। সুদের হার কমালে তাদের খাদ্যে বা চিকিৎসায় কাটছাঁট করতে হবে। বয়স্ক মানুষদের জন্য যার কোনটাই সম্ভব নয়।বাংলাদেশ ব্যাংক

বছরের শুরুর দিকে বেসরকারি ব্যাংকের লাগামহীন ঋণ দানকে নিয়ন্ত্রণ করার লক্ষ্যে কেন্দ্রীয় ব্যাংক সাধারণ বাণিজ্যিক ব্যাংকের জন্য এডিআর (ঋণ-আমানত অনুপাত) ৮৫% থেকে কমিয়ে ৮৩.৫% এবং ইসলামি শরিয়া নির্ভর ব্যাংকগুলোর জন্য তা ৯০% থেকে কমিয়ে করে ৮৯%। এডিআর কমানো হলে ব্যাংকগুলোর ঋণ দান ক্ষমতা হ্রাস পায়। ফলে অতিরিক্ত মুনাফা অর্জনের জন্য লাগামহীন ঋণ দান কার্যক্রমে একটা বাড়তি সীমাবদ্ধতা যোগ হয়। ঋণের পরিমাণ কমে আসে। এডিআর কমানোকে অনেক বিশ্লেষক তারল্য সঙ্কট বৃদ্ধির জন্য দায়ী করেছেন। প্রথমতঃ ঘোষণা করার সময় কেন্দ্রীয় ব্যাংক বলেছিল নতুন এডিআর কার্যকর হবে জুন মাস থেকে। দ্বিতীয়তঃ এডিআর কমানোর আগেই শুরু হয়েছিল তারল্য সঙ্কট। পরবর্তীতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক নতুন এডিআর আগামী বছরের মার্চ মাসে কার্যকর হবে বলে জানিয়ে দিয়েছে।

Reneta

তারল্য সঙ্কট সমাধানের জন্য সরকার একটি এবং কেন্দ্রীয় ব্যাংক দুটো সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সরকারি তহবিলের ৫০% পর্যন্ত বেসরকারি ব্যাংকে আমানত রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার যা ছিল ২৫%। কেন্দ্রীয় ব্যাংক সিআরআর (ক্যাশ রিজার্ভ রিকয়ারমেন্ট বা কেন্দ্রীয় ব্যাংকে আমানতের নির্ধারিত অংশ জমা রাখার অনুপাত) কমিয়েছে ১%; অন্যদিকে এডিআর কমিয়েছে ১.৫% এবং ১%। এডিআর কমানোর প্রভাব আগামী মার্চের আগে দেখা যাবে না। ১% সিআরআর কমানোয় আগামী ১৫ এপ্রিলের পর বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোতে ১০ হাজার কোটি টাকার সমপরিমাণ ক্যাশ যুক্ত হবে। এতে তারল্য সঙ্কট অনেকটা কমানো যাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

সরকারি তহবিলের ৫০% পর্যন্ত বেসরকারি ব্যাংকে জমা রাখার যে সুযোগ সরকারি দফতরগুলোকে দেয়া হয়েছে তা মানতেই হবে – বিষয়টা এমন নয়। সরকারি দফতরের দ্বায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যাক্তিরা আমানতের উপর সুদের হার এবং ব্যাংকের শক্তি, স্থায়িত্ব ইত্যাদি বিবেচনা করে বেসরকারি ব্যাংকে তহবিল জমা রাখবেন। এ ক্ষেত্রে যা ঘটবে তা হচ্ছে যে বেসরকারি ব্যাংক যে সরকারি দফতরের সঙ্গে যত ভাল নেগোশিয়েশন করতে পারবে সে ব্যাংক তত বেশি পরিমাণ টাকা নিজের ব্যাংকে আমানত হিসেবে নিয়ে আসতে পারবে। দুর্নীতির সুযোগ আগেও ছিল, এখনো থাকবে। কোন এক পত্রিকার খবরে দেখেছিলাম, আগে বেসরকারি ব্যাংকে ২৫% পর্যন্ত জমা রাখার সুযোগ থাকলেও সরকারি দফতরগুলো গড়ে ১০% এর বেশি বেসরকারি ব্যাংকে কখনোই জমা রাখেনি। বর্তমান হার বৃদ্ধির ফলে খুব বেশি টাকা বেসরকারি ব্যাংকে যাবে বলে মনে হয় না।

সিআরআর কমিয়ে এবং বেসরকারি ব্যাংকে ৫০% জমা রাখার সুযোগ করে দিয়ে সরকার এবং কেন্দ্রীয় ব্যাংক বেসরকারি খাতের তারল্য সঙ্কট সমাধানের চেষ্টা করেছেন। তারল্য সঙ্কট জিইয়ে রাখলে কারো কোন লাভ হয় না। বরং ঋণের উপর সুদের হার বেড়ে যায়; ব্যাংকিং সেক্টরে হাহাকার সৃষ্টি হয় যা সুষ্ঠ অর্থনৈতিক পরিবেশের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর। ১২/১৪% হারে সুদ দিতে হলে উদ্যোগতাদের পকেটে আর তেমন কিছু থাকে না। সবদিক বিবেচনা করে এই দুই পদ্ধতিতে তারল্য সঙ্কটের সমাধান না করা হলে আজ যারা এই দুই সিদ্ধান্তের সমালোচনা করছেন, ব্যাংক গেল, ব্যাংক গেল বলে রব তুলেছেন; সরকারি টাকা বেসরকারি ব্যাংক মালিকদের দিয়ে দেয়া হচ্ছে বলে প্রপাগান্ডা চালাচ্ছেন তারাই সরকারকে, কেন্দ্রীয় ব্যাংককে তারল্য সঙ্কটের জন্য দায়ী করে বড় বড় বক্তৃতা দিতেন সভা, সেমিনার আর টকশোতে।

অর্থমন্ত্রীতারল্য সঙ্কট সমাধানের জন্য সরকার এবং কেন্দ্রীয় ব্যাংক যে সকল উপায় গ্রহণ করেছেন তার সমালোচনা করতে গিয়ে অনেক সুশীল সমালোচক বলেছেন, এর ফলে মুদ্রাস্ফীতি বেড়ে যাবে। বাজারে অতিরিক্ত অর্থের প্রবাহ হলে মুদ্রাস্ফীতি বাড়তে পারে। তবে এই সিদ্ধান্তে উপনীত হওয়ার আগে প্রথমেই দেখতে হবে যে বাড়তি অর্থ প্রবাহ হবে কি-না। সিআরআর এবং বেসরকারি ব্যাংকে বাড়তি জমা রাখার যে সুযোগ হয়েছে তার ফলে কত টাকা বাজারে আসবে? সিআরআর কমানোর ফলে ১০ হাজার কোটি টাকা আসবে এটা পরিমাপ করা সহজ বলে সকলেই ইতোমধ্যে জেনে গেছেন। কিন্তু সরকারি দফতর থেকে কত টাকা বাজারে আসবে তা কেউই বলতে পারছেন না। বলতে পারা সহজও নয়। সরকারি দফতরগুলো যদি প্রয়োজনাতিরিক্ত টাকা বেসরকারি খাতে জমা দেয়া শুরু করে তবে তা সহজেই দেখা যাবে এবং চাইলে নিয়ন্ত্রণ করাও যাবে। অর্থাৎ অতিরিক্ত তারল্য বাজারে এসে দ্রব্যমূল্য বাড়িয়ে দেবে এমন পরিস্থিতি সৃষ্টি করা সম্ভব হবে না।

বাজারে বাড়তি অর্থ প্রবাহ মূদ্রাস্ফীতি তখনই বাড়ায় যখন বাজারের পক্ষে বাড়তি অর্থ উৎপাদনমূখী কোন খাতে বিনিয়োগ করার সুযোগ থাকে না বা তা যদি শুধু সীমিত সরবরাহের ভোগ্যপণ্য এবং বিলাস দ্রব্যে ব্যয় করা হয়ে থাকে। বাংলাদেশের অর্থনীতি গত কয়েক বছরে বদলে গেছে অনেকখানী। ধারাবাহিকভাবে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি এবং অনেক অবকাঠামো তৈরী হওয়ায় নতুন বিনিয়োগের চাহিদা বেড়েছে। সামান্য বেসরকারী এবং ব্যাপক সরকারী বিনিয়োগ উৎপাদনমূখী বিনিয়োগ ক্ষুধা মেটাতে পারছিল না। দরকার ছিল প্রচুর দেশি-বিদেশি বেসরকারী বিনিয়োগ। ১৩ – ১৫ সালে জঙ্গিবাদী অগ্নি সন্ত্রাস না হলে দেশি-বিদেশি বেসরকারী বিনিয়োগ হত আরও অনেক বেশি; অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ৮% ছাড়িয়ে যেত। গত দু’বছরে বিদেশী বিনিয়োগ বেড়েছে অনেকখানী। এমন পরিস্থিতিতে বেসরকারী খাতে প্রয়োজনীয় অর্থ সরবরাহের ফলে মূদ্রাস্ফীতি বেড়ে যাবার কারণ দেখি না।

বেসরকারি ব্যাংকগুলোতে তারল্য সঙ্কট দেখা দিলেও সরকারি ব্যাংকগুলোর চিত্র সম্পুর্ণ আলাদা। দৈনিক পত্রিকাগুলো থেকে জানতে পারি যে সরকারি ব্যাংকগুলোর হাতে এক লক্ষ কোটি টাকা অলস পরে আছে। কয়েকটি ব্যাংকে কেলেংকারীর কারণে সরকারি ব্যাংকগুলোর ঋণ দানের উপর কড়াকড়ি আরোপ হওয়ায় সেখানে ঋণ দানের পরিমাণ কমে গিয়েছে বলে সৃষ্টি হয়েছে লক্ষাধীক কোটি টাকার অলস তারল্য। সরকারি খাতে অলস টাকা আর বেসরকারি খাতে তারল্যের জন্য হাহাকার এমন পরিস্থিতি চলতে দিলে তাই হত সরকার এবং কেন্দ্রীয় ব্যাংকের জন্য অদক্ষতা, অকর্মন্যতা। অর্থবাজারের নিয়ন্ত্রকেরা তা করেননি। তারা কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে এবং সরকারি তহবিল থেকে টাকা বেসরকারি খাতে নগদ অর্থ সরবরাহ করে বেসরকারি খাতের তারল্য সঙ্কট দূর করে বেড়ে যাওয়া ঋণের হার ১০ শতাংশের নিচে নিয়ে আসার ব্যবস্থা করেছেন। এটাই দরকার ছিল। বাংলাদেশে দ্রুত অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি হচ্ছে – এমন সময়ে ব্যাংকিং খাতের তারল্য সঙ্কট মেনে নেয়া যায় না।

(এ বিভাগে প্রকাশিত মতামত লেখকের নিজস্ব। চ্যানেল আই অনলাইন এবং চ্যানেল আই-এর সম্পাদকীয় নীতির সঙ্গে প্রকাশিত মতামত সামঞ্জস্যপূর্ণ নাও হতে পারে)

Channel-i-Tv-Live-Motiom

Jui  Banner Campaign
ট্যাগ: কেন্দ্রীয় ব্যাংকতারল্য সংকটব্যাংক
শেয়ারTweetPin4

সর্বশেষ

গেতাফেকে হারিয়ে শিরোপার আরও কাছে বার্সেলোনা

এপ্রিল ২৫, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

পঞ্চগড়ে ফিলিং স্টেশনে ইউএনও’র ওপর হামলা, অস্ত্র কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা

এপ্রিল ২৫, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

পুলিশ সদস্যদের যে বার্তা দিলেন আইজিপি

এপ্রিল ২৫, ২০২৬

এসএসসির ‘প্রশ্নফাঁস’ সংবাদের বিষয়ে যা জানালো শিক্ষা বোর্ড

এপ্রিল ২৫, ২০২৬

ভুয়া বিজ্ঞাপনে ডিপফেক প্রযুক্তি: প্রতারক চক্র গ্রেপ্তার

এপ্রিল ২৫, ২০২৬
iscreenads

প্রকাশক: শাইখ সিরাজ
সম্পাদক: জাহিদ নেওয়াজ খান
ইমপ্রেস টেলিফিল্ম লিমিটেড , ৪০, শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ সরণী, তেজগাঁও শিল্প এলাকা, ঢাকা-১২০৮, বাংলাদেশ
www.channeli.com.bd,
www.channelionline.com 

ফোন: +৮৮০২৮৮৯১১৬১-৬৫
[email protected]
[email protected] (Online)
[email protected] (TV)

  • আর্কাইভ
  • চ্যানেল আই অনলাইন সম্পর্কে
  • চ্যানেল আই সম্পর্কে
  • চ্যানেল আই সকল সোস্যাল মিডিয়া

Welcome Back!

Login to your account below

Forgotten Password?

Retrieve your password

Please enter your username or email address to reset your password.

Log In
Bkash Stickey January 2026 Bkash Stickey September 2025 Desktop

Add New Playlist

No Result
View All Result
  • সর্বশেষ
  • প্রচ্ছদ
  • চ্যানেল আই লাইভ | Channel i Live
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • স্বাস্থ্য
  • স্পোর্টস
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • কর্পোরেট নিউজ
  • আইস্ক্রিন
  • অপরাধ
  • আদালত
  • মাল্টিমিডিয়া
  • মতামত
  • আনন্দ আলো
  • জনপদ
  • আদালত
  • কৃষি
  • তথ্যপ্রযুক্তি
  • নারী
  • পরিবেশ
  • প্রবাস সংবাদ
  • শিক্ষা
  • শিল্প সাহিত্য
  • চ্যানেল আই সকল সোস্যাল মিডিয়া

© 2023 চ্যানেল আই - Customize news & magazine theme by Channel i IT