ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের ২০১৮ সালের বিএসএস (সম্মান) পরীক্ষায় ভালো ফল করায় ১০ জন শিক্ষার্থী ‘অধ্যাপক সিতারা পারভীন পুরস্কার’ পেয়েছেন।
সোমবার বিশ্ববিদ্যালয়ের আর সি মজুমদার মিলনায়তনে এই পুরস্কার দেয়া হয়।
পুরস্কার পাওয়া শিক্ষার্থীরা হলেন- মেহজাবিন বশির তুলি, শারমিন জাহান জুহা, ফায়েজ আহমেদ, আব্দুর রাজ্জাক সোহেল, তন্ময় সাহা জয়, নম্রতা তালুকদার অর্পা, তাহমিনা আক্তার জেনি, সুমাইয়া তানিম, শামীমা নাসরিন ও মেহেরুন নাহার মেঘলা।
বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান পুরস্কারপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন।
সাবেক রাষ্ট্রপতি বিচারপতি শাহাবুদ্দীন আহমদের মেয়ে এবং গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের অধ্যাপক ড. আহাদুজ্জামান মোহাম্মদ আলীর স্ত্রী অধ্যাপক সিতারা পারভীনের স্মরণে প্রতিবছর এই পুরস্কার দেওয়া হয়। ২০০৫ সালের ২৩ জুন সিতারা পারভীন যুক্তরাষ্ট্রে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হন।
গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. কাবেরী গায়েনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাবি উপাচার্য আখতারুজ্জামান। এসময় অতিথি বক্তা হিসেবে জেনোসাইড নিয়ে একটি প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন অধ্যাপক ড. ইমতিয়াজ আহমেদ।
এছাড়া অধ্যাপক সিতারা পারভীনের স্বামী গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের সাবেক অধ্যাপক ড. আহাদুজ্জামান মোহাম্মদ আলী অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে পুরস্কারপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের হাতে অতিরিক্ত পাঁচ হাজার করে টাকা তুলে দেন।
এসময় পুরস্কারপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীসহ সবাইকে উদার মনের হওয়ার আহ্বান জানিয়ে উপাচার্য আখতারুজ্জামান বলেন, ‘আমাদের অন্তর মম বিকশিত করা উচিত। অধ্যাপক সিতারা পারভীনের মধ্যে এই গুণটি ছিল। তিনি একজন নিবেদিত প্রাণ শিক্ষক ছিলেন। তার গুণাবলি অনুসরণ করা আমাদের প্রয়োজন। অধ্যাপক সিতারা পারভীনের গুণাবলি ও নৈতিকতা থেকে শিক্ষার্থীদের শিক্ষা নেওয়া প্রয়োজন।’
এসময় বিএসএস (সম্মান) পরীক্ষায় প্রথম স্থান অধিকার করা মেহজাবিন বশীর তুলি তার সহপাঠী ও শিক্ষকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা স্বীকার করে বলেন, ‘প্রতিটা পুরস্কার নতুন নতুন দায়িত্ব নিয়ে আসে। চার বছরের অনার্স লাইফ শেষে সবচেয়ে বড় স্বীকৃতি অধ্যাপক সিতারা পারভীন পুরস্কার পাওয়া।
শুধু স্কলারশিপ পেয়েই যেন আমাদের দায়িত্ব শেষ না হয়ে যায়, বরং সামনের দিনগুলোতে সিতারা আপার মতই একজন আলোকিত মানুষ হয়ে উঠতে পারি সেই কামনা এখন।’







