রাষ্ট্রায়ত্ত্ব জনতা ব্যাংকের সাড়ে ৮শ কোটি টাকা আত্মসাতের ঘটনায় অনুসন্ধানে নেমেছে দুর্নীতি দমন কমিশন। এর অংশ হিসেবে জনতা ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে ব্যাংকটির চেয়ারম্যান শেখ ওয়াহিদুজ্জামানের সঙ্গে কথা বলেছে দুদকের অনুসন্ধান দল। তবে দুদক বলেছে, এটা ছিলো সৌজন্য সাক্ষাত।
জনতা ব্যাংকের চেয়ারম্যানের সঙ্গে কথা বলার জন্য দুদকের তদন্ত দল আসতে পারে এমন খবরে সকাল থেকেই মতিঝিলে জনতা ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে গণমাধ্যমকর্মীরা ভিড় করেন। চেয়ারম্যান শেখ ওয়াহিদুজ্জামান সেখানে পৌঁছালে ছবি নিতে গেলে বাধা দেয় ব্যাংকের নিরাপত্তাকর্মীরা। ব্যাংকে প্রবেশেও বাধা দেওয়া হয়।
গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, রাষ্ট্রায়ত্ত্ব জনতা ব্যাংকের কর্মকর্তাদের সহায়তায় গোল্ডেন জুট মিল্সসহ ৮টি কাগুজে প্রতিষ্ঠান ৮৫৭ কোটি ৪৩ লাখ টাকা আত্মসাত করেছে। এ ঘটনায় শীর্ষ এক কর্মকর্তা, একজন মহাব্যবস্থাপক ও ঋণখেলাপি ব্যবসায়ী ইউনুস বাদলসহ ১৪ জনের সংশ্লিষ্টতার তথ্য রয়েছে দুদকের হাতে। তাদের বিরুদ্ধে ভুয়া এলসির মাধ্যমে ঋণ জালিয়াতির অভিযোগ পেয়েছে দুদক। বিষয়টি অনুসন্ধানে দায়িত্ব পেয়েছেন দুদকের পরিচালক সৈয়দ ইকবাল হোসেন এবং উপ পরিচালক সামসুল আলম।
পরিচালক সৈয়দ ইকবাল হোসেনের নেতৃত্বেই দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে জনতা ব্যাংক প্রধান কার্যালয়ে আসে দুদকের ৪ সদস্যের অনুসন্ধান দল। চেয়ারম্যান শেখ ওয়াহিদুজ্জামানের সঙ্গে প্রায় তিন ঘণ্টা কথা বলেন তারা।







