‘না, শহীদ সেতো নেই; গোধূলিতে তাকে/ কখনও বাসায় কেউ কোনদিন পায় নি, পাবে না।/ … বেরিয়েছে সকাল বেলায় সে তো- শহীদ কাদরী বাড়ি নেই।’
(অগ্রজের উত্তর/ শহীদ কাদরী)
সেই যে ১৯৭৮ সালে অভিমানে বাড়ি ছেড়ে পরবাসী হয়েছিলেন কবি শহীদ কাদরী, আজ বাড়ি ফিরলেন। তিনি কয়েকদিন আগেই বলেছিলেন, ‘মৃত্যুর গন্ধ টের পাচ্ছি। বাংলাদেশ আমাকে ডাকছে’।
গত ২৮ আগস্ট রবিবার নিউইয়র্কের নর্থ শোর বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় স্থানীয় সময় সকাল ৮টা ২০ মিনিটে ৭৪ বছর বয়সে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। আর আজ ৩১ আগস্ট বুধবার সকাল ৮টা ৫০ মিনিটে এমিরেটস এয়ারলাইনসের একটি বিমানে করে নিউইয়র্ক থেকে অভিমানী কবির মরদেহ ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছায়। তিনি বাড়ি ফেরেন।
সর্বস্তরের মানুষের শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য বেলা ১১টা ২০ মিনিটে কবির মরদেহ নিয়ে আসা হয় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে। সেখান থেকে চ্যানেল আই অনলাইনের ক্যামেরায় ধরা কিছু দৃশ্য।
যে কফিনে শুয়ে কবি বাড়ি ফিরলেন, তাতে লাগানো এয়ারলাইনসের ট্যাগ
বেলা ১১ টা ২০ মিনিটে কবি শহীদ কাদরী’র মৃতদেহ আনা হয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে

“ভয় নেই
আমি এমন ব্যবস্থা করবো যাতে সেনাবাহিনী
গোলাপের গুচ্ছ কাঁধে নিয়ে
মার্চপাস্ট করে চলে যাবে
এবং স্যালুট করবে
কেবল তোমাকে প্রিয়তমা।”
কবি, কবিতানুরাগী, সাংস্কৃতিক কর্মী, শিক্ষক, বুদ্ধিজীবীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ শ্রদ্ধা জানান। শেষবারের মতো প্রিয় কবির মুখটি দেখেন

কবি’র অন্তিমযাত্রায় শোকাহত স্বজনরা
নানা রঙের ফুলে কবিকে শ্রদ্ধা জানানো হয়। একটি সাদা ফুলের মালা কবির নিথর বুকের উপর কোন কবিতার হয়তো পাঠ নিচ্ছে
বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমের ক্যামেরায় কবি সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য রাখেন সুধীজনেরা

ফুলেল শুভেচ্ছা শেষে কবিকে বিদায় জানানো হয়; রয়ে যায় তাঁর চুম্বনগুলো স্বদেশের বাতাসে বাতাসে







