চেলসির নতুন মালিক হতে যাচ্ছেন মার্কিন ধনকুবের টড বোহেলি। রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে ব্যক্তিগত সম্পর্ক থাকায় চেলসি মালিক রোমান আব্রামোভিচের সম্পদ জব্দ করার পর ক্লাবটি বিক্রির ঘোষণা আগেই দিয়ে রেখেছিলেন তিনি।
আমেরিকান পেশাদার বেসবল দল লস অ্যাঞ্জেলেস ডজার্সের মালিক বোহেলি ৪.২৫ বিলিয়ন পাউন্ড দর হাঁকিয়ে চেলসি কেনার দৌড়ে জিতে যান। বোহলি এক মার্কিন ধনকুবের। তার মালিকানায় থাকা বোহলি গ্রুপের মধ্যে রয়েছে সুইস বিলিয়নেয়ার হ্যান্সজর্গ উইস এবং ব্রিটিশ সম্পত্তি বিনিয়োগকারী জোনাথন গোল্ডস্টেইন।
প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হলে অনুমোদন সাপেক্ষে মে মাসের শেষের দিকে মালিকানা হস্তান্তরের কাজ সম্পন্ন হবে বলে আশা করা হচ্ছে। তিনি ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগ ও যুক্তরাজ্য সরকারের অনুমোদন পাওয়ার অপেক্ষায় আছেন।
গত শুক্রবার চেলসি এক বিবৃতিতে বলেছে, মোট বিনিয়োগের মধ্যে ২.৫ বিলিয়ন পাউন্ড (৩.১ বিলিয়ন ডলার) ক্লাবের শেয়ার কেনার জন্য খরচ করা হবে। এই খাতের আয় যুক্তরাজ্যের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে জব্দ করা হবে এবং দাতব্য কাজে শতভাগ দানের জন্য জমা রাখা হবে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রোমান আব্রামোভিচ। এছাড়া নতুন মালিক ক্লাবের সুবিধার জন্য আরও ১.৭৫ বিলিয়ন পাউন্ড (২.১৪ বিলিয়ন ডলার) বিনিয়োগের প্রতিশ্রুতি দেবেন।
চেলসি কিনতে ব্রিটিশ ব্যবসায়ী জিম র্যাটফ্লিক আগ্রহ দেখালেও শেষ মুহূর্তে তিনি দর হাঁকানোর সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসেন। ফলে টড বোহেলির ব্লুদের নতুন মালিক হওয়ার রাস্তা পরিষ্কার হয়ে যায়।
ইউক্রেন ইস্যুতে ক্লাবটির ওপর কঠোর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়। ব্লুজরা নতুন খেলোয়াড় দলে নিতে বা চুক্তিতে স্বাক্ষর করতে পারছে না। বর্তমানে ক্লাবটিতে যারা খেলছেন, তাদের সঙ্গে করা যাবে না চুক্তি নবায়ন। এমনকি ম্যাচের টিকেটও বিক্রি করতে পারছে না চেলসি।
বন্ধ করে দেয়া হয় চেলসির ক্লাব শপ। তাদের জার্সির স্পন্সর মোবাইল ফোন কোম্পানি থ্রি অস্থায়ীভাবে ৫২ মিলিয়ন ডলারের চুক্তি স্থগিত করেছে। ভ্রমণ করার সময় ইংলিশ জায়ান্টরা ২০ হাজার ডলারের বেশি ব্যয় করতে পারবে না। টিভি সম্প্রচার ও পুরস্কার বাবদ অর্থ আপাতত জব্দ রয়েছে।






