ফতুল্লা থেকে: ঢাকা প্রিমিয়ার লিগে সর্বোচ্চ তিনটি করে সেঞ্চুরি করেছেন মোহাম্মদ আশরাফুল ও লিটন দাস। লিগের শেষদিকে খেলতে এসে প্রথম দুই ম্যাচেই সেঞ্চুরি হাঁকিয়েছেন উন্মুক্ত চাঁদ। শেখ জামাল ধানমন্ডি ক্লাবের হয়ে খেলতে আসা এ ভারতীয় ব্যাটসম্যান মঙ্গলবার দ্বিতীয় সেঞ্চুরিটি করেছেন মাশরাফী-নাসিরদের নিয়ে গড়া আবাহনীর বিপক্ষে। জিতেছে তার দলও।
ঢাকা লিগের শীর্ষ দল আবাহনীর বিপক্ষে সেঞ্চুরি পাওয়া ও জয়ের আনন্দ যে বড় অনুভূতি, সেটিই ঝরল চাঁদের কথায়। ফতুল্লার খান সাহেব ওসমান আলী স্টেডিয়ামে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে ২৫ বছর বয়সী এই ক্রিকেটার বললেন, ‘শীর্ষ দলকে হারিয়েছি, খুবই খুশি এবং ভাল লাগছে। সবাই জানে তারা এক নাম্বার দল। তাদের বিপক্ষে সেঞ্চুরি পাওয়াটা সব সময় দারুণ। আমাদের মধ্যে আত্মবিশ্বাস বাড়বে। আরও তিনটি ম্যাচ বাকি আছে। আশা করি সবগুলো ম্যাচই জিতবো।’
টানা দ্বিতীয়বার ঢাকা লিগে খেলছেন চাঁদ। আগেরবার খেলেছিলেন প্রাইম ব্যাংক ক্রিকেট ক্লাবের হয়ে। অল্প অভিজ্ঞতাতেই বুঝে ফেলেছেন ঢাকা লিগের মাহাত্ম্য। প্রশংসায়ও ভাসালেন, ‘আমি বাংলাদেশের মাটিতে খেলা উপভোগ করি। এখানকার ক্রিকেট দারুণ প্রতিদ্বন্দ্বীতাপূর্ণ। সেজন্যই ভারত, পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কা থেকে ক্রিকেটাররা এসে এখানে খেলে। এখানকার উইকেটও দারুণ।’
উন্মুক্ত চাঁদ আগের ম্যাচে লিজেন্ডস অব রূপগঞ্জের বিপক্ষে খেলেন ম্যাচ জেতানো ১২৭ রানের ইনিংস। এবারের ইনিংসটি ছিল ১০১ রানের। ১৩৮ বলের ইনিংসে ছিল ৮টি চার ও ৩টি ছক্কা।
চাঁদ যতক্ষণ উইকেটে ছিলেন, মনে হচ্ছিল তিনশ রানের কাছে চলে যাবে শেখ জামাল। ইনিংসের ৪৩ ওভারে বোলিংয়ে এসে মাশরাফী চাঁদ ও জিয়াকে ফিরিয়ে দিলে রানের গতি কমে আসে। শেষ পর্যন্ত ৫০ ওভারে ৮ উইকেট হারিয়ে ২৫৬ রান তোলে নুরুল হাসান সোহানের দল। আবাহনীকে ২৩০ রানে বেধে ফেলে ২৬ রানের দারুণ জয় তুলে নেয় শেখ জামাল। সুপার লিগে টানা দুই জয়ে শিরোপার লড়াইয়েও উঠে এসেছে ধানমন্ডির ক্লাবটি।







