রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ বলেছেন, কৃষি উন্নয়ন তথা গ্রামনির্ভর অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের অগ্রযাত্রায় চ্যানেল আইয়ের প্রচেষ্টা প্রশংসনীয়। প্রতিষ্ঠার পর থেকে চ্যানেল আই মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনা সমুন্নত রেখে বিভিন্ন অনুষ্ঠান নির্মাণ ও প্রচার করে আসছে। এছাড়াও পরিবেশ ও প্রকৃতির সংরক্ষণ ও উন্নয়নে এ চ্যানেলটি কাজ করে যাচ্ছে।
চ্যানেল আইয়ের ২১ বছরে পদার্পণ উপলক্ষে দেয়া বাণীতে তিনি এসব কথা বলেন।
বাণীতে রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘বেসরকারি স্যাটেলাইট টেলিভিশন চ্যানেল আইয়ের ২১ বছরে পদার্পণ উপলক্ষে আমি দর্শক-শ্রোতা, কলাকুশলী, শুভানুধ্যায়ীসহ চ্যানেল আই পরিবারকে জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।’
গণমাধ্যম জাতির বিবেক ও সমাজের দর্পণ উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘গণমাধ্যম সময়ের কথা বলে, অতীতের সাথে বর্তমানের যোগসূত্র স্থাপন করে এবং ভবিষ্যতে করণীয় বিষয়ে দিক নির্দেশনা দেয়। গণমাধ্যম কেবল তথ্য, বিনোদন ও সংবাদচিত্র জনসম্মুখে তুলে ধরে না, গণমানুষের বঞ্চনা ও চাওয়া-পাওয়ার কথা তুলে ধরে তাদের অধিকার প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।’
‘‘জনমত সৃষ্টিতেও গণমাধ্যমের জুড়ি নেই। সরকারের কর্মকাণ্ডের প্রতি সজাগ দৃষ্টি রেখে গঠনমূলক সমালোচনার মাধ্যমে জাতি গঠনেও গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে পারে বলে আমি মনে করি। গণতন্ত্র ও গণমাধ্যম একে অপরের পরিপূরক। একটির অবর্তমানে অন্যটির বিকাশ বাধাগ্রস্ত হয়। গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখতে গণমাধ্যম ইতিবাচক ভূমিকা পালন করবে বলে আমি মনে করি।’’
রাষ্ট্রপতি আরো বলেন, অবাধ তথ্য প্রবাহের যুগে দেশের গণমাধ্যম স্বাধীনভাবে দায়িত্ব পালন করছে। তবে আমাদের মনে রাখতে হবে স্বাধীনতার সাথে দায়িত্বও ওতপ্রোতভাবে জড়িত। আমি আশা করি, এ দায়িত্ববোধ ও দেশপ্রেমের প্রতি অবিচল থেকে চ্যানেল আইসহ সকল গণমাধ্যম বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশন, নির্মল বিনোদন ও শিক্ষামূলক অনুষ্ঠান প্রচার করে জাতি গঠনে অব্যাহত অবদান রেখে যাবে।
‘‘দেশে-বিদেশে আমাদের ঐতিহ্যবাহী বাঙালি সংস্কৃতির বিকাশে চ্যানেল আই অব্যাহত প্রয়াস চালিয়ে যাবে বলে আমার বিশ্বাস।’’
তিনি চ্যানেল আইয়ের উত্তরোত্তর সমৃদ্ধিও কামনা করেন।








