মাফিয়া ডন দাউদ ইব্রাহিমের সহযোগী দাউদ মার্চেন্টকে ভারতের কাছে ফিরিয়ে দেয়ার প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন।
অপরাধের সঙ্গে জড়িত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের কোনো ছাড় দেয়া হবে না বলেও মন্তব্য করেছেন তিনি।
২০০৯ সালের ২৮ মে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ভারত সীমান্ত এলাকা থেকে মুম্বাইয়ের সঙ্গীত প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান টি সিরিজের মালিক গুলশান কুমার হত্যা মামলায় যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামী দাউদ মার্চেন্টকে এক সহযোগীসহ গ্রেফতার করে পুলিশ।
এরপর পাসপোর্ট আইনের মামলায় ২০১৪ সালের ডিসেম্বরে কাশিমপুর কারাগার থেকে মুক্তি পাওয়ার পর ওইদিনই তাকে ৫৪ ধারায় তাকে আটক করে পুলিশ।
এর মধ্যেই মাফিয়া ডন দাউদ ইব্রাহিমের ঘনিষ্ঠ সহচর দাউদ মার্চেন্টকে ফিরিয়ে দিতে বাংলাদেশের কাছে অনুরোধ জানায় ভারত।
সোমবার দুপুরে সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন জানান, বিদেশীদের মধ্যে যাদের সাজার মেয়াদ শেষ হয়েছে তাদেরকে ফিরিয়ে দেয়ার প্রক্রিয়া চলছে।
বাংলাদেশ ব্যাংক কর্মকর্তা গোলাম রাব্বী এবং ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন কর্মকর্তা বিকাশ চন্দ্র দাসকে নির্যাতনের ঘটনায় ব্যবস্থা নেওয়ার ক্ষেত্রে পুলিশের গাফিলতি রয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। বলেন, কেউই আইনের উর্দ্ধে নয়। সবার বিরুদ্ধেই যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। এই ব্যাপারে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জিরো টলারেন্সে বিশ্বাসী। তিনি আমাদের সবাইকে আহ্বানও করেছেন সেইখানে যেতে, আমরা কিন্তু সেই জায়গাটায় যাচ্ছি।
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মাদ্রাসা ছাত্র নিহত হওয়ার ঘটনাকে নিয়ে সৃষ্ট পরিস্থিতির নেপথ্য মদদদাতাদের আইনের আওতায় নিয়ে আসা হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।






