জঙ্গি এবং সন্ত্রাসীদের ধরতে প্রয়োজনে কিছুদিন ভাইবার, হোয়াটসঅ্যাপ বন্ধ রাখার ইঙ্গিত দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। জামিনে বেরিয়ে আবারো সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়িতদের ব্যাপারে প্রশ্নের উত্তরে প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, বিচার বিভাগ স্বাধীন। সরকার এখানে কিছু করতে পারে না। তবে বিচারকরা জামিনের ক্ষেত্রে অপরাধের মাত্রা এবং দেশের স্বার্থ বিবেচনায় নিতে পারেন।
বুধবার জাতীয় সংসদে প্রধানমন্ত্রীর প্রশ্নোত্তরে লেখক-প্রকাশক হত্যা এবং সন্দেহভাজনদের গ্রেফতার বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করেন স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য হাজি মো: সেলিম। পুরো বিষয়টিকে দুঃখজনক বলে মন্তব্য করেন প্রধানমন্ত্রী।
হামলাকারীদের ঠেকাতে জনমত গঠনের পরামর্শ দেন তিনি। তথ্য-প্রযুক্তির অপব্যবহার ঠেকাতে কঠোর হওয়ারও ইঙ্গিত দেন প্রধানমন্ত্রী।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, এইসব প্রযুক্তিগত সুবিধার অপপ্রয়োগ করে কিছু কিছু মানুষ অপরাধ করছে। এজন্য যদি প্রয়োজন হয় তাহলে এসব মাধ্যম কিছুদিন বন্ধ যেতে পারে। সন্ত্রাসী-অপরাধীদের খুঁজতেই এটা বন্ধ রাখা হবে। কিছু লোকের মন্দ কাজের জন্য কিছুদিন সবাইকে হয়তো কষ্ট করতে হবে।
সাইবার অপরাধ ঠেকাতে এ সংক্রান্ত আইন এবং সন্ত্রাসীরা যাতে সহজে জামিন না পায় সেজন্য সন্ত্রাস দমন আইনে মামলা করার পরামর্শও দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
তিনি বলেন, ছয় মাস-এক বছর কষ্ট করে আসামী গ্রেফতারের পর এরা ১৫ দিনেই জামিন পেয়ে যাচ্ছে। বিচার বিভাগ স্বাধীন তাই সরকারও হস্তক্ষেপ করতে পারে না। অপরাধের মাত্রা বিবেচনায় এনে জামিন দেয়ার আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী।






