বছর ঘুরে আবারো এসেছে পবিত্র মাস রামাযান। মুসলিমদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও পবিত্র এই মাস। একজন মুসলিম কীভাবে এই মাসকে কাজে লাগিয়ে তার জীবনকে আরো সুন্দর করে গড়তে পারে তারই এক শিক্ষা পুরো মাসজুড়ে রয়েছে। অফুরান কল্যাণের এ মাসেই মহাগ্রন্থ আল-কুরআন নাযিল হয়েছে এবং এ কারণে রামাযানের গুরুত্ব বেড়ে গেছে বহুগুণ।
উল্লেখ্য, এ মাসেই পূর্ববর্তী সকল আসমানী কিতাব, যবুর, তাওরাত ও ইঞ্জিলও নাযিল হয়েছিল। সব মিলিয়ে মুসলিম বিশ্ব এই মহামান্বিত আরবি মাসটির যথাযথ সম্মান দিয়েই পালন করে। বছরের বিভিন্ন সময় সিয়াম পালনের বিবরণ আমরা পাই সহিহ হাদিসে, কিন্তু রামাযানে সিয়াম পালনের ফযিলত অনেক অনেক বেশি, সে কথাও আমরা সকলেই জানি।
রামাযানে একজন মুসলিমের নানান কর্তব্য রয়েছে। তিনি সিয়াম পালন করার পাশাপাশি অন্য একজন মানুষের প্রতি সহানুভূতিশীল হয়ে উঠবেন। দরিদ্র আত্মীয়, প্রতিবেশীর কথাও তিনি মনে রাখবেন।
সর্বোপরি, মুসলিম এবং অমুসলিমদের প্রতি শুধু এ মাসে নয়, সারাজীবনই মহানবী মুহাম্মাদ (সাঃ) যে আন্তরিক আচরণ করেছেন, তা মহানবীর উম্মত এ মাসে আরো বাড়িয়ে দেবে।ন একজন অন্যকে সাহায্য করার যে দৃষ্টান্ত নবী মুহাম্মাদ (সাঃ) গড়েছেন, তা উম্মতকেও অনুসরণ করতে হবে।
মহানবী মুহাম্মাদ (সাঃ)-কে কুরআনে উত্তম আদর্শ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। তাঁর আদর্শগুলো ধরে রাখতে সচেষ্ট হতে হবে মুসলিম সমাজকে। এ মাসে ওই কাজগুলোই মুসলিমরা করবেন এবং ভ্রাতৃত্ববোধের অনন্য পরিচয় তুলে ধরবেন। ইসলাম যে শান্তির বাণী নিয়ে পৃথিবীতে এসেছে, সেই শান্তি ছড়িয়ে পড়ুক সবখানে। সারা মাস মানুষ ‘সাবর’-এর এক অনন্য দৃষ্টান্ত গড়ে তুলুক প্রতিবারের মতো- এমনটাই আশা রামাযান মাসে।







