এবার গ্রীষ্মের শুরুতেই ঢাকার কোনো কোনো এলাকায় লোডশেডিং শুরু হয়েছে। তবে একে যান্ত্রিক কারণে বিদ্যুৎ বিভ্রাট বলছে ডিপিডিসি। এ বিভ্রাট মেটাতে সাব স্টেশন স্থাপন করা হলেও বৈদ্যুতিক তার বসাতে সিটি কর্পোরেশনের অনুমতি পাচ্ছে না। আর এতে লোডশেডিং-এর আশঙ্কা আরো বাড়ছে।
গ্রীষ্মের শুরুতেই রাজধানী ঢাকার একাংশ, কেবল ডিপিডিসি এলাকায় বিদ্যুতের চাহিদা ১২ শ’ মেগাওয়াটে পৌঁছেছে। গত বছর গ্রীষ্ম মৌসুমে সর্বোচ্চ চাহিদা ছিল দেড় হাজার মেগাওয়াট। এবার চাহিদা আরো বেড়ে এক হাজার ৭ শ’ মেগাওয়াট ছাড়াতে পারে বলে ডিপিডিসির আশঙ্কা।
সংস্থাটির দাবি, বিদ্যুতের যোগান থাকলেও সাব স্টেশনের সক্ষমতার অভাবে চাহিদা অনুয়ায়ী সরবরাহ সম্ভব হচ্ছে না।
মাটির নীচে বৈদ্যুতিক তারের মাধ্যমে সংযোগ স্থাপনের মাধ্যমে সাব স্টেশন চালু হয়। নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ দিতে আরো ২৭টি সাব-স্টেশন স্থাপনের উদ্যোগ নিয়েছিল ডিপিডিসি। এর মধ্যে ঢাকায় ৩টি পুরোপুরি প্রস্তুত আর তিনটির কাজও প্রায় শেষ পর্যায়ে।
নারায়ণগঞ্জ ও ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন রাস্তা খুঁড়ে তার বসানোর অনুমতি দিলেও ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন এখনো অনুমতি দেয়নি। এক বছর আগে প্রাথমিক আবেদন এবং গত সেপ্টেম্বরে চুড়ান্তভাবে আবেদন করে অপেক্ষায় আছে ডিপিডিসি।
ডিপিডিসির আশঙ্কা, সাব স্টেশনগুলি চালু না হলে বিদ্যুতের যোগান থাকলেও সক্ষমতার অভাবে রাজধানীতে লোডশেডিং নিয়ন্ত্রণে রাখা কঠিন হবে।
আরও দেখুন সঞ্জয় চাকীর ভিডিও রিপোর্টে:








