সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে লেখাপড়া করা সুবিধাবঞ্চিত দরিদ্র প্রতিটি শিশু আসছে উপবৃত্তির আওতায়। নতুন করে ১০ লাখ শিক্ষার্থীকে দেয়া হচ্ছে উপবৃত্তি। এজন্য ব্যয় ধরা হয়েছে ৪ হাজার কোটি টাকা। প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী বলেছেন, এই কার্যক্রমের ফলে এখন আর ভূয়া ভর্তি দেখিয়ে উপবৃত্তি নেয়া সম্ভব নয়।
দরিদ্র শিক্ষার্থী ও তাদের অভিভাবকদের সহায়তার জন্য প্রাথমিক পর্যায়ে ৭৮ লাখ শিক্ষার্থীকে উপবৃত্তি দিচ্ছে সরকার। এলাকা ভেদে ৪০ থেকে ৭৫ শতাংশ শিক্ষার্থীকে দেয়া হয় এই উপবৃত্তি। তবে সবার মন রক্ষা করতে প্রধান শিক্ষক ও এসএমসি কমিটি অতিরিক্ত শিক্ষার্থী দেখিয়ে যোগ্য নয় এমন শিক্ষার্থীকেও উপবৃত্তি দিতো।
এখন আর সেই সুযোগ নেই। ঝরে পড়া রোধ করতে ও পরিবারগুলোকে সহায়তা করে প্রাথমিক পর্যায়ের আরো ১০ লাখ শিক্ষার্থীকে উপবৃত্তির আওতায় আনা হয়েছে। পৌরসভা ও সিটি কর্পোরেশনের শিশুরা উপবৃত্তির বাইরে থাকলেও আগামী ২০১৭-১৮ অর্থবছরের ১ জুলাই থেকে তারাও পাবে উপবৃত্তি।
মেয়েদের স্কুলে আনতে উব্ধুদ্ধ করতে গত শতকের ৯০ দশক থেকে মাধ্যমিক পর্যায়ে মেয়েদের মধ্যে প্রথম উপবৃত্তি বিতরণ শুরু হয়েছিল। তবে ৭০ দশকের পর থেকেই প্রথমিক পর্যায়ের শিশুদের জন্য পুষ্টিকর বিস্কুট ও ছাতু বিতরণ কার্যক্রম শুরু হয়। দেশে ৬৩ হাজার ৬শ’ ১টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে লেখপড়া করছে ২ কোটি ১৯ লাখ ৩২ হাজার ৬শ’ ৩৮ জন শিক্ষার্থী।
বিস্তারিত দেখুন ভিডিও রিপোর্টে:








