শক্তির পার্থক্য যাই থাকুক না কেনো, আমরা যে উন্নতি করেছি সেটা
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ম্যাচেই ফুটবল বিশ্ব জানতে পারবে। মিশন
অস্ট্রেলিয়ার জন্য রাতে রওনা হওয়ার আগে গণমাধ্যমকে এমনটাই জানাচ্ছিলেন
বাংলাদেশ দলের কাণ্ডারি মামুনুল ইসলাম।
কুয়ালালমপুরে মালয়েশিয়ার সঙ্গে
প্রীতিম্যাচ খেলে পার্থে যাবে ক্রুইফ-মামুনুলের বাংলাদেশ ব্রিগেড।
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে বাংলাদেশের সম্ভাবনা নিয়ে ক্যাপ্টেন মামুনুল বলেন, আমাদের সাথে অস্ট্রেলিয়ার পার্থক্যটা সবাই জানে। তবে আমরা ভালো ফুটবল খেলতেই যাচ্ছি। আমাদের মূল উদ্দেশ্যটাই হবে আমরা যে উন্নতিটা করছি, এটা ফুটবল বিশ্বকে জানান দেওয়া।
‘আমরা আমাদের সামর্থ্যের শতভাগই দেবো। আর দেশবাসীর কাছে দোয়া চাইবো যেনো সফর শেষ করে ভালভাবে দেশে পৌঁছে ৮ নভেম্বর জর্ডানের বিপক্ষে ভালো করতে পারি,’ বলছিলেন ক্যাপ্টেন মামুনুল।
মিশন অস্ট্রেলিয়ার জন্য রাত দেড়টায় ঢাকা ছাড়ার আগে শেষ দিনে মামুনুল-এমিলিদের অনুশীলন ছিলো বিকালের পরিবর্তে সকালে।
আড়াই ঘণ্টার অনুশীলন শেষ করে মালয়েশিয়া ম্যাচ নিয়ে কথা বলেন হেড কোচ লোডভিক ডি ক্রুইফ। অবশ্য টিম নিয়ে কথা বলার আগে বাফুফের সঙ্গে তার সম্পর্কটাই জানান দিলেন আবার। সংবাদ মাধ্যমে ভুল খবর হয়েছে, দাবি এই ডাচম্যানের।
তিনি বললেন, ‘সকালে উঠেই আমি পত্রিকাটি দেখেছি। আমার মনে হয়েছে যে দ্য রিপোর্টার ইজ নট শার্প। কারণ আমি বলেছি একটা আর সে লিখেছে আরেকটা।
‘আমার সঙ্গে বাফুফের বা বাফুফের সঙ্গে আমার কোন ঝামেলা নেই। কখনও তা ছিলোও না,’ বলে দাবি করেন তিনি।
কোচ ববলেন: আই অ্যাম ভেরি হ্যাপি উইথ বিএফএফ এন্ড পার্সেনালি মিস্টার সালাউদ্দিন। চুক্তির মেয়াদ বাড়ানো না বাড়ানো বা অ্যাসাইনমেন্ট বেসিস চুক্তির ব্যাপারে কোনো অভিযোগ নেই আমার। আমি একজন পেশাদার কোচ। আমি চেষ্টা করছি বাফুফের সঙ্গে কাজ করে বাংলাদেশের ফুটবলকে এগিয়ে নেওয়ার।
কোচ কথা বলার সময় সঙ্গে ছিলেন অধিনায়ক। ক্যাপ্টেনসির সঙ্গে দলের মিডফিল্ডটাও সামলাবেন মামুনুল। আর তাকে যোগ্য সাপোর্টটা দিতে তৈরি আছেন ডেনমার্কে থাকা বাংলাদেশী মিডফিল্ডার জামাল ভুইয়া। বঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপের প্লেয়ার অব দ্য টুর্নামেন্ট তিনি।
গোল করাটা নয় মাঝমাঠ সামলানোটাই মূল কাজ উল্লেখ করে তিনি বলেন, গোল কার পা থেকে আসলো সেটা মোটেও আমার ভাবনা নয়। আমার মূল কাজটা হবে মামুনুলের যোগ্য সঙ্গী হয়ে ওঠা। কেনো না মাঝ মাঠ সামলানোর মূল দায়িত্বটা আমাদের দুজনেরই।
২৯ আগষ্ট মালয়েশিয়ার সঙ্গে ফিফা ফ্রেন্ডলি ম্যাচ শেষে ৩০ আগষ্ট পার্থে রওনা হবে বাংলাদেশ, ৩ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ সময় বিকাল ৫টায় বাংলাদেশ-অস্ট্রেলিয়ার বিশ্বকাপ কোয়ালিফাইং ম্যাচ।







