ইন্দোনেশিয়ায় সামুরাই তলোয়ার নিয়ে পুলিশ স্টেশনে হামলা চালাতে গিয়ে গুলিতে নিহত হয়েছে চার হামলাকারী। বুধবারের এ ঘটনায় একজন পুলিশ কমকর্তায় হামলাকারীদের হাতে মারা যায়।
দেশটির রিয়াও শহরে পুলিশ হেডকোয়ার্টারে গাড়ি নিয়ে ঢুকে আক্রমণ চালানো হয়। জঙ্গি সংগঠন আইএস এ হামলার দায় স্বীকার করেছে।
২০০২ সালের পরে সন্ত্রাসবিরোধী অভিযানে বেশ প্রশংসিতই ছিলো ইন্দোনেশিয়া। সেটা তারা ধরেও রেখেছিলো বেশ কয়েক বছর। কিন্তু সম্প্রতি আবার রক্তাক্ত হয়ে উঠছে ইন্দোনেশিয়া।
এর আগেই বেশ কিছু আত্মঘাতী হামলায় হতবাক হয়ে পড়েছিলো ইন্দোনেশিয়া। পুলিশ স্থানীয় আইএস কেন্দ্রিক দল জেম্মা আনসারুত দৌলাহকে (জেএডি) এই আক্রমণের জন্য দায়ী করেছে।
ইন্দোনেশিয়া বিশ্বের সবচেয়ে বেশি মুসলিমপ্রধান দেশ। ২০০২ সালের বালিতে বোমা হামলার পরে দীর্ঘ সময় সন্ত্রাসবিরোধী কঠোর ব্যবস্থার জন্য সবার কাছে প্রশংসিত হয়। তারা গ্রেফতার ও হত্যার মধ্যে সমন্বয় আনতে সক্ষম হয়। তারা মুক্ত হওয়া সন্ত্রাসীদের প্রতি তাদের মনোভাব পরিবর্তনেও বেশ সক্ষম হয়।
কিন্তু দেশটি এখন নতুন হুমকির মুখোমুখি, সিরিয়ায় যুদ্ধ শেষে ফেরা আইএস যোদ্ধাদের নিয়ে।
গত চারদিন ধরেই সহিংসতার মধ্যে আছে ইন্দোনেশিয়া। গত রোববার এক দম্পতি ও তাদের চার সন্তান নিয়ে তিনটি চার্চে আত্মঘাতী হামলা চালায়। তাতে ১৮ জন মারা যায়, আহত হয় ৪০ জন।
পশ্চিম জাভার সিয়ানজুরের রোববার চারজন সন্দেহভাজন (জেএডি) সদস্যকে হত্যা করে পুলিশ, আটক করে দুজনকে।
সোমবার পাঁচ সদস্যের একটি পরিবার পুলিশ স্টেশনে আক্রমণ চালায়। প্রতি আক্রমণে চারজন নিহত হয়, তবে আট বছর বয়সী একটি মেয়ে বেঁচে যায়।








