মিয়ানমারের ইয়াংগুন বিমানবন্দরের রানওয়েতে ছিটকে পড়া উড়োজাহাজের ক্রু এবং যাত্রীদের আনতে বুধবার রাতেই ক্যাপ্টেন আনিসুর রহমানের নেতৃত্বে বিমানের একটি বিশেষ উড়োজাহাজ সেখানে যাচ্ছে।
বিমান বাংলাদেশের জেনারেল ম্যানেজার (জনসংযোগ) কমকর্তা শাকিল মেরাজ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
বাংলাদেশ বিমানের একটি বিশেষ ফ্লাইট রাত সাড়ে দশটার দিকে মিয়ানমার যাচ্ছে। আহতদের দেশে নিয়ে আসা হবে।
এর আগে বুধবার সন্ধ্যায় বৈরি আবহাওয়া এবং উড়োজাহাজের সামনের চাকা ভেঙে যাওয়ায় মিয়ানমারের ইয়াংগুন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের রানওয়ে থেকে বাংলাদেশ বিমানের উড়োজাহাজটি ছিটকে পড়ে।
মিয়ানমারে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মুনজুরুল করিম খান বলেন: বৃষ্টি ও উড়োজাহাজটির সামনের চাকা ভেঙে যাওয়ায় রানওয়ে থেকে ছিটকে পড়ে। আহতদের মধ্যে ১১ জনকে এয়ারপোর্টে প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হয়েছে। মিশনের দু’জন কর্মকর্তা সবসময় হাসপাতালে আহতদের পাশে রয়েছেন।
শাকিল মেরাজ বলেন: বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের এস২-এজিকিউ ফ্লাইটের ৮কিউ৪০০ নাম্বারের উড়োজাহাজটির দুর্ঘটনার পর বৃষ্টির কারণ দেখিয়ে পরবর্তী ঘোষণা না দেওয়া পর্যন্ত সকল প্রকার ফ্লাইট বন্ধ ঘোষণা করেছে ইয়াংগুন এয়ারপোর্ট কর্তৃপক্ষ। সকল ফ্লাইটকে দেশটির রাজধানীর নেপিদো এয়ারপোর্টে নেওয়া হয়েছে।
তিনি আরও বলেন: আরোহীরা সকলে ভালো আছেন। আহত ক্রু ও যাত্রীদের ঢাকায় ফিরিয়ে আনতে রাত ১০টায় বিমানের পক্ষ থেকে একটি উড়োজাহাজ পাঠানো হয়েছে।
এ ঘটনায় এখনও পর্যন্ত পাইলট ও কেবিন ক্রুসহ ২৮ জন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। আহতদের সবাইকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
আহতদের মধ্যে রয়েছেন ক্যাপ্টেন শামীম নজরুল, ফার্স্ট অফিসার আনোয়ার, কেবিন ক্রু কবিরুল ও অভ্র। বিমানের বিজি ০৬০ ফ্ল্যাইটটি দুপুর ৩টা ২০ মিনিটে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ছেড়ে যায়। ফ্লাইটটিতে ৩২ জন আরোহী ছিলেন।
বুধবার সন্ধ্যা ৬টা ২২ মিনিটে অবতরণের সময় এ দুর্ঘটনা ঘটে। এতে বিমানের ওই উড়োজাহাজটি যথেষ্ট ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানা গেছে।







