নারী ক্রিকেটারদের দীর্ঘদিনের অনুযোগ, খুব বেশি আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলার সুযোগ পান না তারা। যেটি উন্নতির পথে অন্যতম অন্তরায়। ওয়ানডে ও টি-টুয়েন্টি ফরম্যাট মিলে বছরে সাত-আট ম্যাচ খেলেই সন্তুষ্ট থাকতে হয় তাদের। ম্যাচ খেলার এই হার আরও কমে আসছে সামনের সময়ে।
বাছাইপর্ব উতরাতে না পারায় জুনে ইংল্যান্ড বিশ্বকাপে খেলা হচ্ছে না রুমানাদের। বিসিবির উইমেন্স উইং পাচ্ছে না বাংলাদেশের সঙ্গে সিরিজ খেলার জন্য আগ্রহী কোনও দলকে। ‘কূটনৈতিক অক্ষমতা’য় নারী দল এবছর আদৌ আন্তর্জাতিক ম্যাচ পাবে কিনা-এ নিয়ে থাকছে বড় ধরণের শঙ্কা!
বাংলাদেশের সঙ্গে অন্য দলের খেলতে না চাওয়ার ব্যাপারটি স্বাভাবিক মনে করছেন বিসিবির উইমেন্স উইংয়ের চেয়ারম্যান এমএ আউয়াল চৌধুরী, ‘সবাই বেটার টিমের সঙ্গে খেলতে চায়। আন্ডারডগ টিমের সঙ্গে খেলতে চায় না। আমরা চেষ্টা করছি পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা কাউকে আনা যায় কিনা।’
সামনে আন্তর্জাতিক ম্যাচের নিশ্চিত সূচি না থাকায় বেকার বসে আছেন নারী দলের ইংলিশ কোচ ডেভিড ক্যাপেল। নারী ক্রিকেটে দিন বদলের লক্ষ্য নিয়ে গত বছরের অক্টোবরে ৬ মাসের চুক্তিতে এই অভিজ্ঞ কোচকে এনেছিল বিসিবি। মেয়াদ পেরিয়ে গেলেও ক্যাপেলকে ধরে রাখার ইচ্ছার কথা জানালেন এমএ আউয়াল চৌধুরী, ‘সামনের জাতীয় ক্রিকেট লিগ ও প্রিমিয়ার লিগ শেষ হলে ক্যাপেলের অধীনে ক্যাম্প হবে। ওয়ানডেতে যেন আমরা বর্তমান অবস্থান ধরে রাখতে পারি সে চেষ্টা করা হবে।’
আন্তর্জাতিক ম্যাচের সঙ্গে কমছে মেয়েদের ঘরোয়া লিগের খেলাও। গত মৌসুমে ছেলেদের প্রিমিয়ার লিগ ও মেয়েদের প্রিমিয়ার লিগ একসঙ্গে শুরু হয়েছিল। এবার ছেলেদের প্রিমিয়ার লিগ মাঠে গড়ালেও মেয়েদের লিগ শুরু হয়নি মাঠের অভাবে। সেটি কিছুটা পুষিয়ে নিতে ১৬ মে কক্সবাজারে শুরু হচ্ছে জাতীয় ক্রিকেট লিগ।
প্রিমিয়ার লিগ রোজার ঈদের পর হবে, আশ্বাস দিয়েছেন উইমেন্স উইং চেয়ারম্যান।
প্রিমিয়ার লিগ সত্যি সত্যি ঈদের পর হলে উৎসবের খরচ সামলাতে চিন্তায় পড়তে হতে পারে নারী ক্রিকেটারদের। তাদের রুটি-রুজির প্রধান উৎস এই প্রিমিয়ার লিগই। রোজার মধ্যে জাতীয় লিগ খেলেও ক্ষতি পুষিয়ে নেওয়ার উপায় নেই। সেখানে ম্যাচ ফি যে মাত্র ৬০০ টাকা!







