কলম্বো, শ্রীলংকা থেকে: টাইগারদের শততম টেস্টের দ্বিতীয় দিনটা আক্ষেপ নিয়েই শেষ হলো। শেষ ২০ মিনিটের ঝড়ে এলোমেলো হয়ে গেল হিসাব-নিকাশ। উইকেটে সেট হয়েও একে একে ফিরে গেছেন তামিম, সৌম্য, ইমরুল ও সাব্বির। নাইটওয়াচম্যান হিসেবে নামা তাইজুলও ফিরে গেছেন। বিনা উইকেটে ৯৫ রান থেকে বাংলাদেশ দিন শেষ করেছে ৫ উইকেটে ২১৪ রানে। প্রথম ইনিংসে টাইগাররা এখনও ১২৪ রানে পিছিয়ে।
পি. সারার তুলনামূলক চ্যালেঞ্জিং উইকেটে বাংলাদেশের দুই ওপেনার তামিম এবং সৌম্যর ব্যাট শুরু থেকেই ছিলো সাবলীল। ইনিংসের সূচনাটা হয় দারুণ। ওপেনিংয়ে এ সিরিজে টানা তৃতীয় ফিফটি প্লাস পার্টনারশিপ।
স্কোরবার্ডে ৯৫ রান উঠতেই তামিমের বিদায়। এক রানের জন্য হাফসেঞ্চুরির আক্ষেপ নিয়ে হেরাথের বলে লেগবিফোর হন বাঁহাতি ওপেনার।
আক্ষেপ নিয়ে ফিরেছেন সৌম্য সরকারও। সিরিজে টানা তৃতীয় হাফসেঞ্চুরি পেয়েছেন ছয় বাউন্ডারিতে। সম্ভাবনা জাগিয়েও সৌম্যর ইনিংসটি থেমেছে ৬১ রানে।
দিনের বাকি সময়টা নির্বিঘ্নেই কাটিয়ে দিতে পারতেন সাব্বির এবং ইমরুল। কিন্তু হয়েছে তার উল্টো। ২০ মিনিটের ঝড়ে এলোমেলো হয়ে গেছে বাংলাদেশের ইনিংস। ব্যক্তিগত ৩৪ রানে ইমরুল কায়েস, ৪২ রান করে সাব্বির রহমান এবং নাইট-ওয়াচম্যান তাইজুল ইসলাম ফিরে যান শূন্য রানে।
বাকী সময়টাও অস্বস্তিতে কাটান দলের সবচেয়ে অভিজ্ঞ দুই ব্যাটসম্যান অধিনায়ক মুশফিকুর রহিম এবং সাকিব আল হাসান। লংকান ফিল্ডারদের একাধিক ভুলে ক্যাচ আর রান আউট থেকে বাঁচেন সাকিব-মুশি। ৫ উইকেটে ২১৪ রান তুলে শেষ হয় দ্বিতীয় দিন।
শেষের মতো দ্বিতীয় দিনের প্রথম সেশনটাও ছিলো লংকানদের আধিপত্যে ভরপুর। অলআউট হওয়ার আগে হোস্টরা যোগ করে পাক্কা একশ রান। আটকে রাখা যায়নি দিনেশ চান্দিমালকে। আগের দিন ৮৬ রানে অপরাজিত থাকা এ ব্যাটসম্যান তুলে নিয়েছেন নিজের ক্যারিয়ারের অষ্টম আর বাংলাদেশের বিপক্ষে চার নম্বর টেস্ট সেঞ্চুরি। চান্দিমালের সেঞ্চুরিতে ৩৩৮ রানে থামে লংকানদের প্রথম ইনিংস।
তবে দিন শেষে এ রানও খুব বেশি মনে হতো না, যদি শেষ বিকেলে ‘উইকেট দিয়ে আসার মিছিলে’ যোগ না দিতো বাংলাদেশের টপঅর্ডার।







