চ্যানেল আই অনলাইন
Advertisement
English
  • সর্বশেষ
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • রাজনীতি
  • খেলাধুলা
  • বিনোদন
  • অপরাধ
  • অর্থনীতি
  • আদালত
  • ভিডিও
  • জনপদ
  • প্রবাস সংবাদ
  • ফিফা ২০২৬
  • চ্যানেল আই টিভি
No Result
View All Result
চ্যানেল আই অনলাইন
En

অশ্রু-জলরাশি আজও পিতা হারাবার মর্মবেদনায় প্রবাহিত

চ্যানেল আই অনলাইনচ্যানেল আই অনলাইন
৩:৫০ অপরাহ্ণ ০১, আগস্ট ২০১৬
মতামত
A A

বাঙালি জীবনের শোক ও বেদনার মাস আগস্ট। ১৫ আগস্ট রক্তের আখরে লেখা একটি নিদারুণ মর্মন্তুদ দিন। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যা করে ঘাতকরা। এদিন বাঙালির পুণ্যস্থান ৩২ নম্বর বাড়ির সিঁড়িতে ঘাতকের বুলেটে লুটিয়ে পড়া বাঙালি জাতির মুক্তিদাতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের পাঞ্জাবির বুক পকেটে থাকা চশমার ভাঙা কাচের মতোই চুরমার হয়ে যায় লাঞ্ছিত-বঞ্চিত নির্যাতিত-নিপীড়িত উৎপীড়িত-শোষিত মানুষের মুক্তির সম্ভাবনা। বাঙালির অশ্রু-জলরাশি আজও পিতা হারাবার মর্মবেদনায় প্রবাহিত।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাঙালির স্বাধীনতা ও মুক্তির প্রতীক। তিনি বাংলার মাটি ও মানুষের পরম আপনজন, শত শত বছরের জেঁকে বসা ঘোর নিশীথিনীর তিমির বিদারী অরুণ, ইতিহাসের বিস্ময়কর নেতৃত্বের কালজয়ী স্রষ্টা, ইতিহাসের মহানায়ক, বাঙালি জাতির বিমূর্ত ইতিহাস, স্বাধীন বাংলাদেশের স্বপ্নদ্রষ্টা, স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশ রাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠাতা। বাঙালি জাতির পিতা। হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি। আমাদের অন্তহীন প্রেরণার উৎস – আধুনিক সমৃদ্ধ ‘সোনার বাংলা’ প্রতিষ্ঠার স্বপ্ন সারথী।

জাতীয় কবি নজরুল ইসলাম বলেছিলেন – ‘বাঙালি যেদিন ঐক্যবদ্ধ হয়ে বলতে পারবে ‘বাঙালির বাংলা’ সেদিন তারা অসাধ্য সাধন করবে।’ এজন্য নজরুল একটি সোনার ছেলে ভিক্ষা চেয়েছিলেন। যে বলবে – ‘আমি ঘরের নই, আমি পরের। আমি আমার নই, আমি দেশের।’

বাঙালি জাতির পরম সৌভাগ্য এমন একটি ‘সোনার ছেলে’ জন্মেছিল গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায়। যে ছেলেটি দেশের জন্য, দেশের মানুষের জন্য নিজের জীবনকে উৎসর্গ করতেও পিছপা হননি। শেখ মুজিবুর রহমান নামের সেই ‘সোনার ছেলে’র কল্যাণেই ‘বাঙালির বাংলা’ প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। আর সেই ‘সোনার ছেলে’টি হয়ে উঠেছেন বাঙালি জাতির পিতা।

শেখ মুজিবুর রহমান একদিনে কিংবা একটি ঘটনার মধ্য দিয়ে বঙ্গবন্ধু কিংবা জাতির পিতা হননি। বাঙালি জাতির অবিসংবাদিত নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান অব্যাহত এবং ধারাবাহিক আন্দোলন ও সংগ্রামের মধ্য দিয়েই ধাপে ধাপে গোটা বাঙালি জাতিকে স্বাধীনতা অর্জনের আকাক্সক্ষায় উজ্জীবিত করেছিলেন। আত্মত্যাগের মানসিকতা, দৃঢ় প্রত্যয়, অদম্য স্পৃহা ও বীরত্বের প্রবাহধারায় বাঙালি জাতিকে একত্রিত করেছিলেন; কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যার্জনে চূড়ান্ত আত্মত্যাগে প্রতীজ্ঞ জাতিতে রূপান্তরিত করেছিলেন।

পাকিস্তানি সাম্প্রদায়িকতা ও উপনিবেশবাদী নীতি, সামরিকজান্তা, আমলাতন্ত্র, প্রাসাদ ষড়যন্ত্র, চক্রান্ত, নির্যাতন-নিপীড়ন, সামন্ত শ্রেণি ও পুঁজিপতি গোষ্ঠীর প্রবল বিরোধিতা, উগ্রবাদী রাজনৈতিক শক্তির অপতৎপরতা পর্বতপ্রমাণ বাধা-বিঘ্ন অতিক্রম করে জাতীয় জাগরণ সৃষ্টির মধ্য দিয়ে স্বায়ত্তশাসন ও স্বাধিকারের উত্তরণ ঘটিয়ে স্বাধীনতার পথে এগিয়ে নিয়েছিলেন দেশের আপামর জনসাধারণের সুদৃঢ় ঐক্য।

Reneta

১৯৪৮-এর ৩ জানুয়ারি ছাত্রলীগের জন্ম, ছাত্রলীগের ১০-দফা দাবি, মার্চে উর্দুকে রাষ্ট্রভাষা ঘোষণার প্রতিবাদে আন্দোলন, ’৪৯-এর ২৩ জুন আওয়ামী লীগের জন্ম, ’৫০-এর ২৪ এপ্রিল রাজশাহী জেলে সাত রাজবন্দিকে গুলি করে হত্যা, ’৫০-এর সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা, ’৫২-এর ভাষা আন্দোলন, ’৫৩-এর শাসনতন্ত্র কমিশনের আন্দোলন, ’৫৪-এর যুক্তফ্রন্ট নির্বাচন, ’৫৫-এর ৯২(ক) ধারা ও তার বিরোধী আন্দোলন, ’৫৬-তে দুর্বার আন্দোলনের মধ্য দিয়ে আওয়ামী লীগ সরকার প্রতিষ্ঠা, ’৫৮-এর সামরিক শাসন, ’৬২-এর শিক্ষা কমিশন বিরোধী আন্দোলন, ’৬৩-এর জাতীয় গণতান্ত্রিক আন্দোলন, ’৬৪-এর দাঙ্গা, সমাবর্তন বিরোধী আন্দোলন এবং কুচক্রীমহলের ভ্রুকুটি অগ্রাহ্য করে আওয়ামী লীগের পুনরুজ্জীবন, ’৬৫-এর ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধ, ’৬৬-এর ৬-দফা, ’৬৮-এর আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা ও ১১-দফা, ’৬৯-এর গণ-অভ্যুত্থান, শেখ মুজিবুর রহমানকে বঙ্গবন্ধু উপাধি প্রদান, ’৭০-এর নির্বাচনে ‘আওয়ামী লীগ’-এর নিরঙ্কুশ বিজয় নানা ঘটনার মধ্য দিয়ে আওয়ামী লীগ নেতা শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে প্রবাহমান রাজনৈতিক সংগ্রাম স্বাধীনতা অর্জনের আকাক্সক্ষাকে চূড়ান্ত লক্ষ্যে পৌঁছে। শেখ মুজিবুর রহমান ও তার সংগঠন আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে এসব অব্যাহত ও ধারাবাহিক আন্দোলন-সংগ্রামের মাধ্যমেই পরিপূর্ণ জাতীয়তাবাদী চেতনায় পুরিপুষ্ট হয়ে ওঠে বাঙালি জাতি। শেখ মুজিবুর হয়ে ওঠেন বাঙালির অবিসংবাদিত নেতা। আওয়ামী লীগ হয়ে ওঠে বাঙালির ‘গণচেতনার ইশতেহার’।

তারই ফলশ্রুতিতে ’৭০-এর ঐতিহাসিক নির্বাচনের রায় ও বিজয়কে নস্যাৎ করার পাকিস্তানি চক্রান্ত বিরোধী অসহযোগ আন্দোলন শুরু হয়। ১৯৭১-এর ৩ জানুয়ারি নির্বাচনে বিজয়ীদের লাখো মানুষের সামনে শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে বঙ্গবন্ধু স্লোগান দেন – ‘আমার দেশ, তোমার দেশ, বাংলাদেশ বাংলাদেশ’। এই শপথ অনুষ্ঠানটি শুরু হয় ‘আমার সোনার বাংলা, আমি তোমায় ভালোবাসি’ গানটি দিয়ে এবং ‘বাংলাদেশ স্বাধীন হলে এই গানটি জাতীয় সংগীত হবে’ বলে ঘোষণা করেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।

১ মার্চ দুপুরে হোটেল পূর্বাণীতে এক সাংবাদিক সম্মেলনে বঙ্গবন্ধু ঘোষণা করেন – ‘আগামী ৭ মার্চ আমি রেসকোর্স ময়দানে বাংলার মানুষের আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকার অর্জনের কর্মসূচি ঘোষণা করব।’ এরপর ৩ মার্চ পল্টন ময়দানে এক জনসভায় বঙ্গবন্ধু বলেন, ‘হয়তো এটাই আমার শেষ ভাষণ।… আমি যদি নাও থাকি, আন্দোলন যেন থেমে না থাকে। বাঙালির স্বাধীনতার আন্দোলন যাতে না থামে।… আমি মরে গেলেও ৭ কোটি মানুষ দেখবে দেশ সত্যিকারের স্বাধীন হয়েছে।’ ৩ মার্চের ঘোষণার পর স্বাধীনতাকামী জনগণ আরও বেশি প্রস্তুতি ও আন্দোলিত হয়ে ওঠে।

৭ মার্চ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান রেসকোর্স ময়দানের জনসভায় চূড়ান্ত সংগ্রামের আহ্বান জানিয়ে ঘোষণা করেন – ‘এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম।’ বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ সাড়ে ৭ কোটি বাঙালির কাছে ‘মাইলস্টোন’ হয়ে উঠল। ৭ মার্চের পর তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের পুরো সরকারি কাঠামোর নেতৃত্ব চলে যায় বঙ্গবন্ধুর হাতে। সর্বত্র উড়তে থাকে বাংলাদেশের পতাকা। ১০ মার্চের দৈনিক আজাদ বঙ্গবন্ধুর বাসভবনকে আমেরিকার হোয়াইট হাউস, ব্রিটেনের ১০ নম্বর ডাউনিং স্ট্রিটের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সাথে তুলনা করে মন্তব্য করে – ‘বঙ্গবন্ধুর বাসভবন এখন একটি অঘোষিত সরকারি দফতর।’

৭ মার্চের ভাষণ বঙ্গবন্ধুকে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের অঘোষিত রাষ্ট্রনায়ক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করে। বাংলাদেশের জনগণ বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে এতটাই ঐক্যবদ্ধ হয়ে ওঠে যে, ৭ থেকে ২৫ মার্চ পর্যন্ত ১৯ দিন ঢাকাকে রাজধানী করে পাকিস্তানের কেন্দ্রীয় সরকার থেকে বাংলাদেশ তার স্বাধীনতা সমুন্নত রাখতে সমর্থ হয়। ১৭ মার্চ চট্টগ্রামে মওলানা ভাসানী এক জনসভায় বলেন, ‘শেখ মুজিব বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেছেন। তার নিজের ৮৯ বছরের জীবনে জনগণের এমন সুদৃঢ় ঐক্য ও উৎসাহ তিনি আর দেখেননি।’

এরপর ২৫ মার্চ কালরাতে পাকবাহিনী নিরীহ বাঙালির ওপর ঝাঁপিয়ে পড়লে ২৬ মার্চ প্রথম প্রহরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্বাধীনতা ঘোষণা করলে শুরু হয় মুক্তিযুদ্ধ। বঙ্গবন্ধুকে গ্রেফতার করে পাকিস্তানে নিয়ে যাওয়া হয়। ১০ এপ্রিল বঙ্গবন্ধুকে রাষ্ট্রপতি ও মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক করে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের নিয়ে গঠিত হয় গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার। আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন এই সরকারের অধীনে পরিচালিত মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে অর্জিত হয় স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশ।

বাঙালি জাতির অধিকার আদায়ের সংগ্রামে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে পাকিস্তানের ২৩ বছরের উপনিবেশিক শাসনকালের মধ্যে বিভিন্ন সময়ে সব মিলিয়ে ১৬ বছরের মতো কারাগারের অন্ধ প্রকোষ্ঠে কাটাতে হয়েছে। পিতা-মাতার স্নেহ, প্রিয়তমার উষ্ণ-বাহুবন্ধন, ভাই-বোনের আদর-প্রীতি, গৃহসুখ, শান্তি, আত্মীয়-পরিজনের ভালোবাসা, স্বস্তির অবসর, লোভনীয় প্রস্তাবমালা, প্রধানমন্ত্রিত্বের প্রলোভন, অর্থ-বিত্ত-বৈভব-ঐশ্বর্য, আরাম-আয়েশ, জাগতিক সকল মোহকে উপেক্ষা করে বাঙালি জাতির জন্য – মানব জাতির কল্যাণে নিজেকে আত্মোৎস্বর্গ করেছেন তিনি। ১৯৬৮ ও ১৯৭১-এ দুই দুবার ফাঁসির মঞ্চে জীবন-মৃত্যুর মুখোমুখি হয়েছেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব। এই মহান নেতার যোগ্যতা, কর্মকুশলতা, দূরদর্শিতা, আত্মত্যাগ ও বিরল রাজনৈতিক নেতৃত্বের কল্যাণেই অর্জিত হয়েছে বাঙালি জাতির হাজার বছরের লালিত স্বপ্ন স্বাধীন জাতি-রাষ্ট্র।

পৃথিবীর ইতিহাসে এমন নেতা খুব কমই আছে জীবদ্দশাতেই যার জীবন-দর্শন জাতীয় চেতনা, মূল্যবোধ ও আদর্শ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এমনই একজন নেতা, বাঙালির জাতির জন্য যার আত্মত্যাগ, কর্মময় জীবন, সংগ্রামানুরক্ত সমৃদ্ধ জীবন-ইতিহাস তাকে একটি চেতনা, একটি বিশ্বাস, একটি আদর্শ, একটি মূল্যবোধ রূপে প্রতিষ্ঠিত করেছে। বঙ্গবন্ধু বিশ্বাস করতেন বাঙালি জাতীয়তাবাদে। তিনি বিশ্বাস করতেন গণতন্ত্রে। যে গণতন্ত্র শোষিতের গণতন্ত্র তথা সাধারণ মানুষের কল্যাণ সাধনের গণতন্ত্র। তিনি বিশ্বাস করতেন সমাজতন্ত্র তথা শোষণবিহীন সমাজব্যবস্থায়। তিনি বিশ্বাস করতেন ধর্মনিরপেক্ষতা তথা সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতিতে। বঙ্গবন্ধুর এই বিশ্বাসই হয়ে ওঠে মহান মুক্তিযুদ্ধের ইশতেহার – সাড়ে ৭ কোটি বাঙালির অঙ্গীকার। যা ’৭২-এর সংবিধানে বাংলাদেশের মূলনীতি হিসেবে গৃহীত হয়েছে।

১৯৭৫-এর ১৫ আগস্টের কুশীলবদের উদ্দেশ্য ছিল বাঙালির শ্রেষ্ঠ অর্জন মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে ধ্বংস করা, মুুক্তিযুদ্ধের পরিফল জনগণ যাতে ভোগ করতে না পারে তার ব্যবস্থা করা। খুনিরা বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যা করলেও বঙ্গবন্ধুর চেতনাকে হত্যা করতে পারে নি। তার আদর্শকে বিনষ্ট করতে পারে নি। বাঙালির মহান নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান চিরঞ্জীব – তার চেতনা অবিনশ্বর। মুজিব আদর্শে শানিত বাংলার আকাশ-বাতাস-জল-সমতল, বাঙালি জাতির অস্তিমজ্জায় মিশে আছেন তিনি। তাই ১৫ আগস্টের সুবিধাভোগী সামরিক, ছদ্ম সামরিক শাসকগোষ্ঠী, মুক্তিযুদ্ধবিরোধী অপশক্তি বাংলাদেশের অগ্রগতির পথে বাধা হয়ে দাঁড়ালেও সময়ের সাথে সাথে বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনার কাছে তারা পরাজিত হয়েছে।

বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে শান্তি, সমৃদ্ধি ও উন্নয়নের পথে এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ। বাংলাদেশের এই এগিয়ে যাওয়াকে পাকিস্তান ও তাদের এদেশীয় দোসর ‘১৯৭১ ও ৭৫-এর খুনিচক্র’ সহ্য করতে পারছে না। এখন তারা বাংলাদেশে জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাসবাদী অপতৎপরতায় লিপ্ত হয়েছে। তবে তাদের এই অপচেষ্টা সফল হবে না। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে মহান মুক্তিযুদ্ধের যে চেতনা বাঙালি জাতির গভীর-মানসপটে গ্রথিত হয়েছে, সেই চেতনাই বাঙালি জাতির মধ্যে আজ জঙ্গিবাদ-বিরোধী ঐক্য সৃষ্টি করেছে। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান অসাম্প্রদায়িক, প্রগতিশীল গণতান্ত্রিক চেতনায় ‘বাংলাদেশ’ নামক যে দুর্জয় ঘাঁটি প্রতিষ্ঠা করেছেন, সেখানে জঙ্গিবাদের কোনো ঠাঁই নেই। ‘বাংলার মাটি দুর্জয় ঘাঁটি বুঝে নিক দুর্বৃত্ত।’

(এ বিভাগে প্রকাশিত মতামত লেখকের নিজস্ব। চ্যানেল আই অনলাইন এবং চ্যানেল আই-এর সম্পাদকীয় নীতির সঙ্গে প্রকাশিত মতামত সামঞ্জস্যপূর্ণ নাও হতে পারে।)

Channel-i-Tv-Live-Motiom

ট্যাগ: আগস্টশোকের মাস আগস্ট
শেয়ারTweetPin

সর্বশেষ

ছবি: সংগৃহীত

টানা ৫ দিন পর চট্টগ্রাম-কক্সবাজার ট্রেন চলাচল শুরু

জুলাই ১২, ২০২৬

জন্মদিনে প্রিয়জনের শুভেচ্ছায় আবেগাপ্লুত পূর্ণিমা

জুলাই ১২, ২০২৬
ছবি: প্রতিনিধি

কানাডার বন্যাকবলিতদের জন্য ৫০০ ডলার অগ্রিম সহায়তা ঘোষণা

জুলাই ১২, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

পাঁচ জেলার নদীর পানি বিপদসীমার ওপরে, নতুন এলাকায় বন্যার শঙ্কা

জুলাই ১২, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

ব্যারিস্টার জমিরউদ্দিন সরকারের প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত

জুলাই ১২, ২০২৬
iscreenads

প্রকাশক: শাইখ সিরাজ
সম্পাদক: জাহিদ নেওয়াজ খান
ইমপ্রেস টেলিফিল্ম লিমিটেড , ৪০, শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ সরণী, তেজগাঁও শিল্প এলাকা, ঢাকা-১২০৮, বাংলাদেশ
www.channeli.com.bd,
www.channelionline.com 

ফোন: +৮৮০২৮৮৯১১৬১-৬৫
[email protected]
[email protected] (Online)
[email protected] (TV)

  • আর্কাইভ
  • চ্যানেল আই অনলাইন সম্পর্কে
  • চ্যানেল আই সম্পর্কে
  • চ্যানেল আই সকল সোস্যাল মিডিয়া

Welcome Back!

Login to your account below

Forgotten Password?

Retrieve your password

Please enter your username or email address to reset your password.

Log In
Bkash Stickey June 2025 Desktop

Add New Playlist

No Result
View All Result
  • সর্বশেষ
  • প্রচ্ছদ
  • ফিফা ২০২৬
  • চ্যানেল আই লাইভ | Channel i Live
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • স্বাস্থ্য
  • স্পোর্টস
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • কর্পোরেট নিউজ
  • আইস্ক্রিন
  • অপরাধ
  • আদালত
  • মাল্টিমিডিয়া
  • মতামত
  • আনন্দ আলো
  • জনপদ
  • আদালত
  • কৃষি
  • তথ্যপ্রযুক্তি
  • নারী
  • পরিবেশ
  • প্রবাস সংবাদ
  • শিক্ষা
  • শিল্প সাহিত্য
  • চ্যানেল আই সকল সোস্যাল মিডিয়া

© 2023 চ্যানেল আই - Customize news & magazine theme by Channel i IT