চট্টগ্রাম থেকে: জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে আসা দর্শকরা বেরিয়ে যাওয়ার সময় তুমুল হৈ-হুল্লোড় করেছেন। গ্যালারিতে বসে খুব কাছ থেকে দেখেছেন লিটন দাসের প্রথম টেস্ট সেঞ্চুরি। দেখেছেন মুশফিকুর রহিমের ধৈর্যশীল ইনিংস।
শুরুর কঠিন অবস্থা থেকে চট্টগ্রাম টেস্টের প্রথমদিন ভালোভাবে শেষ করতে পারায় তৃপ্ত তারা। বাংলাদেশের জয়ের পর দর্শকদের মাঝে যেমন উৎসব দেখা যায়, অনেকটা তেমন চিত্রই ফুটে উঠেছিল সাগরিকায়।
দুঃসময় পেরিয়ে বাংলাদেশ ক্রিকেটে একটি ভালো দিন গেছে। সেলিব্রেট করা যেতেই পারে। কেননা বেশিরভাগ দিনই তো তাদের কাটে হতাশার অন্ধকারে। যেখান থেকে একটু আলোও যে চোখের সামনে জ্বলজ্বল করতে বাধ্য।
৪৯ রানে ৪ উইকেট হারানোর পর লিটন-মুশফিক নিজেদের অক্ষত রেখে আড়াইশতে নিয়ে গেছেন দলীয় সংগ্রহ। ২০৪ রানের অবিচ্ছিন্ন জুটির পথে পুরোটা সময় দেখিয়েছেন প্রত্যয়ী মনোভাব। পাকিস্তান দলের পেসার হাসান আলীর কাছ থেকে পেয়েছেন প্রশংসাবাক্য। অন্যরাও পিঠ চাপড়ে বাহবা জানিয়েছেন চোট নিয়ে সেঞ্চুরি করা লিটনকে।
পাঁচ দিনের খেলায় পার হয়েছে মোটে একটি দিন। বাংলাদেশ যে চালকের আসনে আছে তা এখনো বলা যাবে না। তবে শুরুর ধ্বংসস্তূপ থেকে লিটন ও মুশফিক যেভাবে ব্যাট করছেন তা প্রশংসার দাবিদার।
একজন সেঞ্চুরি করেছেন, আরেকজন অপেক্ষায় আছেন। দুজনই নিজেদের উইকেট আগলে রেখে বাংলাদেশকে নিয়ে গেছেন ভালো অবস্থানে।
এখনো টেস্টের চার দিন বাকি। টেস্ট ক্রিকেটে ব্যাটিং উইকেটে প্রথম ইনিংসে সেঞ্চুরি অসামান্য কোনো নজির নয়। তবে এটিকে ডাবলে নিয়ে যেতে পারলে পায় অন্য মাত্রা। ম্যাচের ফলে রাখে বড় প্রভাব। লিটন-মুশফিকরা নিশ্চয়ই সেদিকেই তাকাবেন। অল্পতেই তুষ্ট হয়ে যাবেন না ভক্তদের মতো!








