এই খবরটি পডকাস্টে শুনুনঃ
শিল্পী সমিতি থেকে বেরিয়ে সম্ভবত দারুণ সময় কাটাচ্ছেন জায়েদ খান। রীতিমত চষে বেড়াচ্ছেন এদেশ ওদেশ! গত একবছরে জায়েদ মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর, দুবাই, যুক্তরাষ্ট্র, অস্ট্রেলিয়াতে শো করতে গিয়েছিলেন।
জায়েদ জানান, সমিতির দায়িত্বে থাকাকালীন বিদেশে শো-গুলো ছাড়তে হতো তার। এখন সমিতি নেই। তাই দিব্যি নিজের মতো করে শো করে দেশ বিদেশ ঘুরে বেড়াতে পারছেন।
সম্প্রতি মেলবোর্ন ও সিডনিতে প্রবাসীদের আমন্ত্রণে একাধিক শো মাতিয়ে এসেছেন জায়েদ। জানালেন, ২২ মে শোতে অংশ নিতে লন্ডন (যুক্তরাজ্য) যাচ্ছেন। পরের মাসে আবার যুক্তরাষ্ট্র, কানাডার বিভিন্ন স্টেটে শো করতে যাবেন।
জায়েদ খান বলেন, নেক্সট স্টেজ ইভেন্টের নিবেদনে লন্ডনে ‘বাংলাদেশ ফেস্টিভ্যাল’ নামে একটি আয়োজনে অংশ নিতে যাচ্ছি। সেখানে মাইল এন্ড স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠান চলবে ২৬ ও ২৭ মে। লন্ডনের অন্যতম বড় স্টেডিয়াম। সেখানে ২০ হাজার প্রবাসীর সামনে পারফর্ম ও উপস্থাপনা করবো। এই শো নিয়ে আমি অনেক বেশি এক্সাইটেড। কারণ লন্ডনে প্রবাসী বাঙালিদের অংশগ্রহণে এটি সর্ববৃহৎ শো।
এই শো-তে জায়েদ খান ছাড়াও উপস্থিত থাকবেন রকস্টার জেমস, সাব্বির জামান, প্রীতম হাসান, দোলা এবং ইউটিউবার তৌহিদ আফ্রিদি।
চ্যানেল আই অনলাইনকে জায়েদ খান বলেন, আমার অনেক দিনের ক্যারিয়ার। এর নেপথ্যে অনেক শ্রম ও সততা রয়েছে। সবারই সুসময় থাকে। সবার ভালোবাসায় আমি হয়তো সেই সময়টা এখন পেয়েছি। অনলাইনের এই যুগে প্রচারণার কারণে দেশের বাইরে প্রচুর মানুষ আমাকে চিনেছেন। এটা বুঝতে পারি দেশের বাইরে গেলে। এতো এতো ভালোবাসা যে বলে বোঝাতে পারবো না। এ কারণে বিদেশে শো-তে কল আসে।
জায়েদ খান মনে করেন, তাকে মানুষ পছন্দ করার বেশ কিছু কারণ আছে। তিনি যেমনটা বললেন, সমিতি নিয়ে আমার সঙ্গে যে অন্যায় করা হয়েছিল এ কারণে হয়তো আমার প্রতি মানুষের সিমপ্যাথি রয়েছে। তাছাড়া আমার সরলতা, ডিগবাজি, মানবিকদিকগুলো হয়তো মানুষের কাছে ভালো লেগেছে। একেকজন একেকভাবে আমাকে ভালোবাসা জানায়। আমি ব্যাচেলর এটাও ভালোবাসা পাওয়ার আরেকদিক।
জায়েদ খান অভিনীত ‘সোনার চর’ ছবিটি মুক্তি পেয়েছিল গেল ঈদে। তিনি জানান, মুক্তির পর তিনি দর্শকের কাছ থেকে নিজের অভিনয়ের প্রশংসা পান। জায়েদ বলেন, লায়ন সিনেমাস এবং ব্লকবাস্টারে ‘সোনার চর’র শো হাউজফুল গেছে। কেউ আমার অভিনয় নিয়ে মন্দ বলেনি। পুরো ছবির কথা বলবো না, তবে দর্শকরা একবাক্যে বলেছে, জায়েদ ভালো অভিনয়ের চেষ্টা করেছে। এতে আমি অনেক অনুপ্রাণিত হয়েছি।








