চ্যানেল আই অনলাইনের ১২ বছর পদার্পণ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী অনলাইন সাংবাদিকতায় মিসইনফরমেশন ও ডিসইনফরমেশনের ঝুঁকি নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করেছেন।
সোমবার বিকেলে চ্যানেল আইয়ের ছাদ বারান্দায় অনুষ্ঠিত এ আয়োজনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, অনলাইন প্ল্যাটফর্মে তথ্যের দ্রুত বিস্তার যেমন ইতিবাচক, তেমনি ভুল তথ্যের প্রভাবও মারাত্মক। “মিসইনফরমেশন ও ডিসইনফরমেশন অনলাইনে ভূমিকা রাখছে- ভূমিকাটা ভালো মনে হলেও এর পরিণতি অত্যন্ত ক্ষতিকর,” উল্লেখ করে তিনি বলেন, এটি শুধু দেশের জন্য নয়, ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের জন্যও বড় ধরনের ক্ষতির কারণ হতে পারে।
তিনি জোর দিয়ে বলেন, ভুল তথ্য ও অপতথ্য প্রতিরোধে অনলাইন মিডিয়াগুলোর আরও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করা জরুরি। এ ক্ষেত্রে দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতা ও বিশ্বাসযোগ্যতার জায়গা থেকে চ্যানেল আই অনলাইন অগ্রণী ভূমিকা রাখবে বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।
ডিজিটাল রূপান্তর প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী বলেন, অনলাইন প্ল্যাটফর্মে উপস্থিতি মানেই পূর্ণাঙ্গ ডিজিটালাইজেশন নয়; বরং ডিজিটাল একটি বিস্তৃত ও ধাপে ধাপে এগিয়ে চলা প্রক্রিয়া। উদাহরণ হিসেবে বিবিসিতে দীর্ঘ দিনের কাজের অভিজ্ঞতা থেকে তিনি বলেন, প্রতিষ্ঠানটি এখনও পুরোপুরি ডিজিটালাইজড হয়নি।
তিনি আরও জানান, সরকারের পক্ষ থেকে ধাপে ধাপে পূর্ণাঙ্গ ডিজিটালাইজেশনের দিকে এগোনোর পরিকল্পনা রয়েছে এবং সে লক্ষ্যে কাজ চলছে।
গণমাধ্যমের স্বাধীনতা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সরকারের অবস্থান স্পষ্ট- প্রিন্ট, ইলেকট্রনিক ও ডিজিটাল সব মাধ্যমই স্বাধীনভাবে কাজ করবে। এ লক্ষ্যে বিএনপি সরকারের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলেও তিনি মন্তব্য করেন।
অনুষ্ঠানের মূল প্রতিপাদ্য ‘অ্যালগরিদম যুগে সাংবাদিকতা’ উপস্থাপন করেন চ্যানেল আই অনলাইনের সম্পাদক ও চ্যানেল আইয়ের চিফ এক্সিকিউটিভ এডিটর জাহিদ নেওয়াজ খান। এ বিষয়ের উপর আলোচনা করেন ঢাকা স্ট্রিমের হেড অব কন্টেন্ট এন্ড ডিজিটাল গ্রোথ স্ট্যাটেজি ইয়াসাব ওসামা রহমান, এনটিভি অনলাইনের সম্পাদক ফখরুদ্দিন জুয়েল, সাংবাদিকতা ও গণযোগাযোগের শিক্ষক কবি আফরোজা সোমা, প্রথম আলোর হেড অব ডিজিটাল এন্ড অনলাইন শওকত হোসেন মাসুম এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিল্ম এন্ড টেলিভিশন এন্ড ফটোগ্রাফি বিভাগের শিক্ষক ড. ইমরান হোসেন।







