ভারতের লাদাখে সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় চার হাজার ৩০০ মিটার উচ্চতায় অবস্থিত এশিয়ার বৃহত্তম ‘গামা রে’ টেলিস্কোপের উদ্বোধন করা হয়েছে। এটি মহাবিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী নানান ঘটনা যেমন সুপারনোভা, ব্ল্যাক হোল এবং গামা-রশ্মি বিস্ফোরণ সম্পর্কে জানতে সহায়তা করবে।
এনডিটিভি জানিয়েছে, ‘মেজর অ্যাটমোস্ফিয়ারিক চেরেনকভ এক্সপেরিমেন্ট-এমএসিই’ টেলিস্কোপটি মুম্বাই-ভিত্তিক ভাভা অ্যাটমিক রিসার্চ সেন্টার (বার্ক), ইলেকট্রনিক্স কর্পোরেশন অফ ইন্ডিয়া লিমিটেড এবং অন্যান্য ভারতীয় অংশীদারদের সহায়তায় এটি নির্মাণ করেছে।
টেলিস্কোপটি যেখানে বসানো হয়েছে সেখানকার তাপমাত্রা প্রায়শই হিমাঙ্কের ৪০ ডিগ্রি নীচে নেমে যায়। তবে তাপমাত্রা যাই হোক না কেন তাতে টেলিস্কোপের কার্যক্ষমতায় প্রভাব পড়বে না বলে জানিয়েছেন বার্কের বিজ্ঞানীরা। মুম্বাইয়ে বার্কের সদর দফতর থেকে রিমোট কন্ট্রোলের সাহায্যে এই টেলিস্কোপটিকে পরিচালনা করবেন বিজ্ঞানীরা।
বিশ্বের দীর্ঘতম এই এমএসিই টেলিস্কোপে রয়েছে ২১ মিটার ব্যাসের বিশাল ডিশ। ওজন ১৭৫ টন। এর প্রতিফলক ক্ষেত্রফল ৩৫৬ বর্গমিটার। এতে রয়েছে ৭১২টি অ্যাকুয়েটর, ১,০৮৮টি ফটো-মাল্টিপ্লায়ার টিউব এবং ৬৮টি ক্যামেরা মডিউল রয়েছে।
চেরেনকভ বিকিরণ থেকে বিচ্ছুরিত কণা বিশ্লেষণ করে সৌরজগতের রহস্য বার করবে এই টেলিস্কোপ। মহাজাগতিক বিকিরণ, তেজস্ক্রিয় কণার বিকিরণ, রহস্যময় মহাজাগতিক বস্তুর খোঁজ দিবে এই গামা-রে টেলিস্কোপ। মহাকাশে রহস্যময় আলো বা শক্তিশালী গামা রশ্মির বিস্ফোরণ দেখা যাবে এই টেলিস্কোপের মাধ্যমে।







