জয়পুরহাটের আক্কেলপুর চারমাথায় একটি এলপিজি পাম্পের ভাল্বের লিকেজ বন্ধ করতে গিয়ে ছড়িয়ে পড়া গ্যাসে আগুন ধরে যায় আক্কেলপুর ফিলিং স্টেশনে। এ সময় সাইফুল ইসলাম (৫০) নামে এক কর্মচারী অগ্নিদগ্ধ হয়ে মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছে।
খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে এবং আহতকে উদ্ধার করে আক্কেলপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। সেখানে তার অবস্থা আশংকাজনক হওয়ায় কর্তব্যরত চিকিৎসক দ্রুত তাকে শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করেন।
সাইফুল ইসলাম জেলার আক্কেলপুর উপজেলার আলেকের মোড় এলাকার আব্দুর রহমানের ছেলে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছে, মঙ্গলবার রাত দশটার দিকে এলপিইজি পাম্পের ভাল্ব লিকেজ হলে ওই ফিলিং স্টেশনের কর্মচারী সাইফুল ইসলাম তা বন্ধ করতে যায়। এ সময় হঠাৎ সেখানে আগুন লেগে মারাত্মক অগ্নিদগ্ধ হন তিনি। পরে স্থানীয়রা ট্রিপল নাইনে কল দিলে দ্রুত সেখানে ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে এবং অগ্নিদগ্ধকে উদ্ধার করে আক্কেলপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। সেখানে তার অবস্থার অবনতি হওয়ায় কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করেন।
আক্কেলপুর ফিলিং স্টেশনের স্বত্ত্বাধিকারী বজলুর রশিদ কবিরাজ মন্টু সাংবাদিকদের সাথে এ ব্যাপারে কোন কথা বলতে রাজি হননি।
ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের ওয়্যারহাউজ ইন্সপেক্টর মুহিউদ্দিন বলেন, মঙ্গলবার রাত সোয়া দশটার দিকে এলপিইজি পাম্পে অগ্নিকাণ্ডের খবর পেয়ে দুটি ইউনিট এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনি। এসময় সাইফুল ইসলাম নামে এক কর্মচারী অগ্নিদগ্ধ হয়েছে। পাম্পের ভাল্বের লিকেজ থেকে ছড়িয়ে পড়া গ্যাস থেকে আগুনের সুত্রপাত বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। তবে অগ্নিকাণ্ডে কী পরিমান ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
আক্কেলপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মঞ্জুরুল আলম বলেন, আহত সাইফুলকে উদ্ধার করে আক্কেলপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়া হয়। পরে রাত ১১ টার দিকে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। কর্তব্যরত চিকিৎসক আমাকে জানিয়েছেন অগ্নিদগ্ধ সাইফুলের শরীরের ৫০-৬০ ভাগ পুড়ে গেছে।








