পানামাকে বড় ব্যবধানে হারিয়ে বিশ্বকাপ মিশন দারুণভাবেই শুরু করেছিল ব্রাজিল। গ্রুপপর্বের দ্বিতীয় ম্যাচে অবশ্য দেখেছে হারের মুখ। ২০০৭ সালের ফাইনালিস্টরা ফ্রান্সের বিপক্ষে ২-১ গোলে হেরেছে।
এফ-গ্রুপে দুই ম্যাচে ৪ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের শীর্ষে ফ্রান্স। সমান খেলায় ব্রাজিল ৩ পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে আছে। এক ম্যাচ খেলে এক পয়েন্ট পেয়ে তৃতীয় অবস্থানে জ্যামাইকা। টেবিলের তলানিতে থাকা পানামা কোনো পয়েন্টের মুখ দেখেনি।
শনিবার ব্রিসবেনে হওয়া ম্যাচের পঞ্চম মিনিটে লিডের সুযোগ পেয়েছিল ফ্রান্স। কাদিদিয়াতো ডায়ানির অ্যাসিস্টে বল পেয়ে স্যান্ডি টলেটির ডান পায়ের দূরপাল্লার শট প্রতিহত করেন ব্রাজিলের গোলরক্ষক লেটিসিয়া। ১৩ মিনিটে ইউজেনি লা সোমেরের হেডও তিনি ঠেকিয়ে দেন।
খেলার ১৭ মিনিটে অবশ্য জাল অক্ষত রাখা যায়নি। পাল্টা আক্রমণ থেকে বল আদায় করে ডায়ানির হেড পাসে মাথা ছুঁইয়ে লক্ষ্যভেদ করেন লা সোমের। ফরাসি মেয়েরা পায় লিড।
ছয় মিনিট পর সেলেসাওরা সমতায় ফেরার সুযোগ পেয়েছিল। আদ্রিয়ানার ডান পায়ের শট অল্পের জন্য লক্ষভ্রষ্ট হয়। ৪৩ মিনিটে
ফরোয়ার্ড আরি বোর্হেসের পাসে বল নিয়ে দূরপাল্লার শট নেন অ্যান্টোনিয়া। ফ্রেঞ্চ গোলরক্ষক পলিন পেয়ারড-ম্যাগনিন বল ঠেকান।
বিরতির পর সফলতার মুখ দেখে ব্রাজিল। ডানপ্রান্ত থেকে নেয়া শটে নিশানাভেদ করেন দেবিনহা।
৬৬ মিনিটে ভিকি বেচোর পাসে বল পাওয়া গ্রেস গেয়োরোর ডান পায়ের শট ঠেকিয়ে দেন লেটিসিয়া। নয় মিনিট পর সেলমা বাচার কিকে পোস্ট ঘেঁষে বল বেরিয়ে যাওয়ায় ফ্রান্স এগিয়ে যেতে পারেনি।
ফ্রান্স অবশ্য ম্যাচের ৮৩ মিনিটে আবারো লিড পায়। সেলমার কর্নার কিকে উড়ে আসা বলে বাঁ প্রান্তে থাকা ওয়েন্ডি রেনার্ড হেডে বল জালে জড়িয়ে দেন।
মিনিট পাঁচেক পর লিয়া লা গ্যারেকের পাল্লার শট লেটিসিয়া বিপদমুক্ত করেন। তবে ম্যাচের বাকি সময়ে সমতা টানতে পারেনি ব্রাজিল, বরণ করে পরাজয়।








