নির্ধারিত এবং অতিরিক্ত সময়ে খেলা অমীমাংসিতভাবে শেষ হওয়ায় ফলাফল নিষ্পত্তির জন্য হতে হয় টাইব্রেকারের শরণাপন্ন। রোমাঞ্চ ও উত্তেজনায় ছড়ানো টাইব্রেকার সাডেন ডেথেও গড়ায় ম্যাচ। শ্বাসরুদ্ধকর লড়াই শেষে শক্তিশালী ফ্রান্সকে ৭-৬ ব্যবধানে হারিয়ে প্রথমবার মেয়েদের ফুটবল বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে উঠেছে স্বাগতিক অস্ট্রেলিয়া।
পেনাল্টি শ্যুট আউটের প্রথম পাঁচটি শটের মধ্যে তিনবার লক্ষ্যভেদ করতে সক্ষম হয় দুই দল। সাডেন ডেথের প্রথম তিন শটেও বল জালে জড়ায়। নবম শটে অবশ্য কেউই গোল করতে পারেনি।
ফ্রান্সের কেনজা ডালির শট অজি গোলরক্ষক ম্যাকেঞ্জি আর্নল্ড ঠেকালেও রেফারি আবার শট নেয়ার সংকেত দেন। কারণ কেনজা কিক নেয়ার আগেই গোলরক্ষক পোস্টের লাইন থেকে বেরিয়েছিলেন। ফিরতি শট আবারো প্রতিহত করেন ম্যাকেঞ্জি। তৈরি হয় নাটকীয় এক মুহূর্ত।
এরপর ক্লেয়ার হান্টের শট ডান দিকে ঝাঁপিয়ে পড়ার সময় শরীরের বিপরীত দিকে থাকা বল শূন্যে ভাসমান অবস্থায় বাঁ হাতে ঠেকান ফ্রান্সের বদলি গোলরক্ষক সোলেন ডুরান্ড। দশম শটে যায় টাইব্রেকার।
ভিকি বেচোর কিক বারে লেগে ফিরলেও কর্টনি ভাইন নিশানাভেদ করে অস্ট্রেলিয়াকে জয়ের বন্দরে নিয়ে যান। টুর্নামেন্টের ইতিহাসে তিনবার কোয়ার্টার ফাইনালে খেললেও এবারই ক্যাঙ্গারুরা প্রথমবার খেলবে সেমিফাইনাল।
শনিবার ব্রিজবেনে হওয়া ম্যাচের নির্ধারিত সময়ের খেলা গোলশূন্যভাবে শেষ হয়। এতে খেলা অতিরিক্ত সময়ে গড়ায়।
১০০ মিনিটে কর্নার কিক থেকে উড়ে আসা বলে হেড করেন ওয়েন্ডি রেনার্ড। বল জালে জড়ালেও হেডের আগ মুহূর্তে ১৫০তম আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলতে নামা রেনার্ড প্রতিপক্ষের এক খেলোয়াড়কে ফাউল করেন। রেফারি গোল বাতিল করায় লিড পায়নি ফ্রান্স।
বাকি সময়ে ফ্রান্স একের পর এক আক্রমণ করে গেলেও অজিদের জমাট রক্ষণ ভাঙতে পারেনি। স্বাগতিকদের গোলরক্ষক ম্যাকেঞ্জি আর্নল্ড একের পর এক সেভ করে যান। ফলে ম্যাচ টাইব্রেকারে গড়ায়। সেখানে শেষ হাসিটা অজিরাই হেসেছে।








