ভারত, গোয়া থেকে: মেয়েদের সাফ ফুটবল চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে সন্ধ্যায় মাঠে নামবে বাংলাদেশ। তাদের প্রতিপক্ষ স্বাগতিক ভারত। এ নিয়ে টানা তৃতীয় ফাইনাল খেলবে বাংলাদেশ, যেখানে তাদের সামনে তৈরি হয়েছে হ্যাটট্রিক শিরোপা জয়ের সুযোগ।
সেমিফাইনালে নেপালের বিপক্ষে বাংলাদেশ যে একাদশ নিয়ে প্রথমে মাঠে নেমেছিল সেই একাদশই কি রাখবেন কোচ পিটার জেমস বাটলার নাকি ফাইনালে কিছু পরিবর্তন করতে পারেন? ফাইনালে স্বাগতিকদের বিপক্ষে ভালো করতে হলে সেরা একাদশই নামাতে হবে বাংলাদেশকে।
বাটলারের সেরা একাদশে কারা থাকতে পারে সেটা বিশ্লেষণ করলে স্বাভাবিকভাবে গোলবারের নিচে মিলি আক্তারকে আশা করি দেখতে পাবো। পারফরম্যান্সের বিচারে আগের দুই ফাইনাল খেলা রূপনা চাকমাকে সুযোগ পাবেন না। বাটলার খেলাবেন তার পুরোনো হাইলাইন ডিফেন্স পদ্ধতিতে।
এরপর লেফটব্যাকে শামসুন্নাহার সিনিয়র এবং রাইটব্যাকে কোহাতি কিসকু থাকছেন অবধারিতভাবে। সেন্টারব্যাকে থাকবেন এশিয়ান কাপে অধিনায়ক হিসেবে ইতিহাস গড়া আফঈদা খন্দকার। সুরভী আক্তার আফরিনও সেরা একাদশে জায়গা করে নিতে পারেন।
মিডফিল্ডের মূল দায়িত্ব থাকবে অধিনায়ক মারিয়া মান্দা ও মনিকা চাকমার উপর। তার সাথে থাকতে পারেন উমেলা মারমা ও প্রথমবার জাতীয় দলে ডাক পাওয়া মোমিতা খাতুন। তবে মনিকা চাকমার সুস্থতার উপর বা পায়ে ব্যথা কতটুকু তার উপর নির্ভর করছে ফাইনালে মাঠে নামা।
দুই উইংয়ের মধ্যে লেফট উইংয়ে থাকবেন আগের ফাইনালে গোল করা ঋতুপর্ণা চাকমা। রাইট উইংয়ে থাকতে পারেন ফরোয়ার্ড সুরভী আকন্দ প্রীতি। আর আক্রমণভাগের মূল দায়িত্বটা থাকবে অ্যাটাকিং মিডফিল্ডার বা ফরোয়ার্ড আনিকা রানিয়া সিদ্দিকীর।
বদলি হিসেবে এদিন মাঠে দেখা যেতে পারে মা হারানো শিউলি আজিমকে। এছাড়া সেমিফাইনালে নেপালের বিপক্ষে ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেয়া শামসুন্নাহার জুনিয়র, তহুরা খাতুনকেও দেখা যাবে এ ম্যাচে। বদলি হিসেবে মাঠে নেমে স্বাগতিকদের তছনছ করে দিতে পারেন আরেক ফরোয়ার্ড মোছাম্মত সাগরিকা।
তবে স্বাগতিকদের মাঠে কাজটা মোটেও সহজ হবে না বাটলারের শিষ্যদের। আগের ম্যাচগুলোতে পণ্ডিত জওহরলাল নেহেরু স্টেডিয়ামে দর্শকখরা থাকলেও ফাইনালে ভারতকে সমর্থন দিতে অনেক দর্শক আসবে বলে আমরা স্থানীয়দের কাছে জানতে পেরেছি।
বাংলাদেশের একাদশ
মারিয়া মান্দা (অধিনায়ক), মিলি আক্তার, শামসুন্নাহার সিনিয়র, আফঈদা খন্দকার, কোহাতি কিসকু, সুরভী আক্তার আফরিন, মনিকা চাকমা, উমেলা মারমা, ঋতুপর্ণা চাকমা, আনিকা রানিয়া সিদ্দিকী এবং সুরভী আকন্দ প্রীতি।







