শেষ ৬ বলে প্রয়োজন ছিল ৯ রান। রোমাঞ্চকর লড়াই শেষে সমীকরণ মেলাতে পারেননি পাকিস্তানের নিদা দার ও আলিয়া রিয়াজ। এক রানের জয়ে ভারতের পর শিরোপার মঞ্চে খেলা নিশ্চিত করেছে শ্রীলঙ্কা। এশিয়ার সেরা হতে ১৫ অক্টোবর লড়বে দুই ফাইনালিস্ট।
সিলেট ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট স্টেডিয়ামে আসরের দ্বিতীয় সেমিফাইনালে পাকিস্তানকে ১২৩ রানের লক্ষ্য দিয়েছিল লঙ্কান দল। জবাবে বিসমাহ মারুফের দল নির্ধারিত ওভার শেষে তুলতে পারে ১২১ রানে।
বৃহস্পতিবার প্রথম সেমিতে থাইল্যান্ডের মেয়েদের ৭৪ রানে হারিয়ে শিরোপার মঞ্চে গেছে ভারত।
জিতলেই ফাইনাল, এমন ম্যাচে লঙ্কানদের বিপক্ষে দারুণ শুরু করেছিল পাকিস্তান। ১২২ রানে চামারি আতাপাত্তুদের আটকে রেখে ব্যাটিংয়েও এনেছিল শুভ সূচনা।
পাকিস্তানের হয়ে উদ্বোধনী জুটিতে মুনিবা আলী ও সিদ্রা আমিন আনেন ৩১ রান। ৯ রান করে সিদ্রা ও ১০ বলে ১৮ করে ফেরেন মুনিবা। মাঝে ৪১ বলে ৪২ রান করে দলকে জয়ের পথে রাখেন পাকিস্তান অধিনায়ক বিসমাহ।
১৭.২ ওভারে কাভিসা কুমারির বলে বিসমাহ ফিরলেও জয়ের পথেই ছিল পাকিস্তান। শেষ ওভারে আসরের অন্যতম ফেভারিট দলটির সামনে আসে ৯ রানের সমীকরণ। ক্রিজে সেট হওয়া নিদা ও আলিয়া মেলাতে পারেননি সেই অঙ্ক। তাতে এক রান দূরে থেকে থেমেছে পাকিস্তানের ইনিংস।
লঙ্কানদের হয়ে সেমির মঞ্চে দুর্দান্ত ছিলেন ইনোকা রানাওয়ারা। ৪ ওভারে ১৭ রান খরচায় তিনি ফিরিয়েছেন সিদ্রা ও আয়েশা নাসিমকে। একটি করে উইকেট ঝুলিতে পুরেছেন সুগন্ধিকা কুমারি ও কাভিশা দিলহারি।
এরআগে, টস জিতে ব্যাটিং নিয়ে শ্রীলঙ্কাও শুরুটা দারুণ করে। ২৩ রানে অধিনায়ক চামারি আতাপাত্তুকে বোল্ড করে ফেরান নিদা। পরে বলের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে রান তোলার চেষ্টা চালিয়ে যান হারিসস্থা, নিলাকাসি ডি সিলভা, আনুষ্কারা। তিনটি গুরুত্বপূর্ণ জুটিতে ১৫ ওভারে ৯০ রান তুলে নেন তারা।
তারপরই ছন্দপতন লঙ্কান ব্যাটিং লাইনআপে। উইকেটের ধস না নামলেও ওমানিয়া সোহালি ও নিশ্রা সিন্ধুদের খেলতে ধুঁকছিল শ্রীলঙ্কা। সাদিয়া ইকবাল, নিদা দার ও আইমান আনোয়ার নেন একটি করে উইকেট। নিশ্রা ৪ ওভারে ১৭ রান দিয়ে নেন ৩ উইকেট। লঙ্কানদের হয়ে সর্বোচ্চ ৩৫ রান করেন হারিসস্থা।
শেষদিকে হাসিনি পেরেরার ১০ বলে ১৩ রান ও দিলহারির ৩ বলে ৭ রানে ৬ উইকেট হারিয়ে লঙ্কানরা জমা করে ১২২ রান। জবাবে ৬ উইকেট হারিয়ে ১২১ রানে থামে পাকিস্তানের এশিয়া কাপের স্বপ্ন।








