রাজধানীর কাঁচাবাজারে নিত্যপণ্যের দামে স্বস্তি ফিরতে শুরু করেছে। অমৌসুমী কয়েকটি সবজি বাদে প্রায় সব শীতকালীন সবজিই পাওয়া যাচ্ছে স্বাভাবিকের তুলনায় কম দামে। কমেছে মাছ, মাংস, মুরগি ও ডিমের দামও। একইসঙ্গে স্থিতিশীল রয়েছে চালের বাজার। তবে ভোজ্যতেলের বাজারে আছে বাড়তি চাপ।
আজ (১২ ডিসেম্বর) শুক্রবার রাজধানীর কয়েকটি প্রধান বাজার ঘুরে দেখা যায়, দেশি নতুন পেঁয়াজের কেজি ১০০ থেকে ১২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। কয়েক দিন আগেও যেখানে দাম ছিল প্রায় দেড়শ টাকার কাছাকাছি। বিক্রেতারা বলছেন, বাজারে সরবরাহ বাড়ায় দ্রুত কমছে পেঁয়াজের দাম।
অন্যদিকে ভোজ্যতেলের বাজারে স্বস্তির বিপরীত দৃশ্য। বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ও ব্যবসায়ীদের বৈঠক নিষ্ফল হওয়ার পর গত সপ্তাহে বোতলজাত সয়াবিন তেলের দাম বাড়িয়েছে উৎপাদক ও পরিশোধনকারী কোম্পানিগুলো। এখন খুচরায় সয়াবিনের লিটার মূল্য ১৯৫ টাকা, আর ৫ লিটারের বোতল বিক্রি হচ্ছে সাড়ে ৯০০ টাকারও বেশি দামে।
বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, টমেটো, উচ্ছে ও পটল বাদে অন্যান্য শীতকালীন সবজির দাম আগের তুলনায় কমেছে। কেনাকাটায় স্বস্তি ফিরে এসেছে সাধারণ ক্রেতাদের। মাছের বাজারেও তুলনামূলক কম দাম দেখা যাচ্ছে। তবে বিক্রেতাদের অভিযোগ, দাম কমলেও ক্রেতা উপস্থিতি তেমন বাড়েনি।
মোহাম্মদপুর কৃষি মার্কেটে গরুর মাংস বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ৭০০ টাকায়। খাসির মাংস ১ হাজার থেকে ১ হাজার ১০০ টাকা। ডিমের ডজন ১২০ টাকা এবং ফার্মের মুরগি কেজি ১৭০ টাকা দাম ধরা হয়েছে। সব মিলিয়ে নিত্যপণ্যের বাজারে সামগ্রিক পরিস্থিতি কিছুটা ইতিবাচক হলেও ভোজ্যতেলের বাড়তি দাম ভোক্তাদের ওপর বাড়তি চাপ সৃষ্টি করছে।






