এই খবরটি পডকাস্টে শুনুনঃ
পূর্বাচলের ৩০০ ফিটের ব্যস্ত রাস্তায় ছুটে চলেছে একটি ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা। এর পেছনের সিটে বসা পুলিশের একজন সদস্য। আর মোটরসাইকেল নিয়ে তাড়া করছেন আরেকজন পুলিশ সদস্য। বেপরোয়া অটোরিকশার ধাক্কায় কয়েকটি গাড়িতে ধাক্কাও মারে, একজন মোটরসাইকেল আরোহী পড়ে আহত হন।
বৃহস্পতিবার ওই ঘটনার ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়ে যায়।
ঢাকা মহানগর ট্রাফিক পুলিশের বাড্ডা জোনের সহকারী কমিশনার সোহেল রানা জানান, গত মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ৩০০ ফিট সড়কে একটি ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার সঙ্গে প্রাইভেটকারের ধাক্কা লাগে। পরে ট্রাফিক পুলিশের এক কনস্টেবল ও সার্জেন্ট রোকন সেই গাড়ি দুটি আটক করে মীমাংসার চেষ্টা করেন। সে সময় কনস্টেবল গাড়ির ভেতরেই ছিলেন। এ ঘটনার এক পর্যায়ে থানায় ফোন করেন সার্জেন্ট রোকন।
থানা পুলিশে কল দেয়া দেখে অটোরিকশা চালক লিটন কনস্টেবলকে নিয়েই অটোরিকশা চালিয়ে পালানোর চেষ্টা করেন। তবে কিছুদূর গিয়ে অটোরিকশা চালককে আটক করেন সার্জেন্ট রোকন। পরে থানা পুলিশ এসে পাশের ট্রাফিক পুলিশ বক্সে নিয়ে যায় লিটনকে।
লিটন দাবি করেন, পুলিশের কথা শুনে ভয়ে পালানোর চেষ্টা করেন তিনি।
সোহেল রানা আরও জানান, পরে সেই প্রাইভেটকার চালক লিখিত কোনো অভিযোগ না দেয়ায় পরিবারের জিম্মায় মুচলেকা দিয়ে অটোরিকশা চালক লিটনকে ছেড়ে দেয়া হয়।
সোহেল রানা বলেন, এ ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। এক ব্যক্তি অটোরিকশা ছিনতাই করে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন বলে যে তথ্য ছড়ানো হচ্ছে তা সঠিক নয়।
ডিএমপির গুলশান বিভাগের সার্জেন্ট মো. রোকনুজ্জামান বলেন, যখন দেখলাম আমার কনস্টেবলকে নিয়ে অটো রিকশা ছুটে গেল, তখন আমার দায়িত্ব ছিল আমার সহকর্মীকে নিরাপদে উদ্ধার করা। সেসময় আশপাশের অনেক বাইকার, গাড়িচালক সবাই বিষয়টি দেখতেছিল, একজন বাইকার পড়েও যায়, আমি অল্পের জন্য আহত হয়নি। এক পর্যায়ে যে গাড়িকে অটোরিকশাটি মেরে দিয়েছিল উনিই রিস্ক নেন। অটোরিকশাকে থামানোর পর ড্রাইভার ও ক্ষতিগ্রস্ত গাড়ির মালিককে খিলক্ষেত থানার একজন এসআইয়ের কাছে হস্তান্তর করি।








