চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

মানসিক অবসাদে ভুগছিলেন বিদিশা

কলকাতার ছোট পর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী পল্লবী দে’র রহস্যজনক মৃত্যুর ঠিক দশ দিনের ভেতর মডেল, অভিনেত্রী বিদিশা দে’র ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। মাত্র ২১ বছর বয়সী এই উঠতি অভিনেত্রীর মৃত্যু ঘিরে জল্পনার শেষ নেই। এরইমধ্যে তার ঘর থেকে উদ্ধার করা সুইসাইড নোট নিয়ে তৈরী হয়েছে বিভ্রান্তি।

কলকাতার শীর্ষস্থানীয় গণমাধ্যমগুলোতে বিদিশার সুইসাইড নোট নিয়ে ভিন্ন ভিন্ন তথ্য পাওয়া গেছে। তবে আসলেই বিদিশার সুইসাইড নোটে কী লেখা আছে, তা স্পষ্ট করে বলতে পারেনি কেউ। এ বিষয়ে পুলিশের মন্তব্যও উদ্ধৃতি করেনি কেউ।

Reneta June

চিঠিতে মা-বাবা-বোন ও কাছের মানুষদের সকলের কথাই নাকি উল্লেখ করেছেন বিদিশা। তবে কাউকে কোনোরকম দোষারূপ করেননি এই উঠতি অভিনেত্রী। চিঠিতে স্পষ্ট করে নাকি তিনি পেশাগত কারণে সফল না হওয়ায় চাপে থাকার কথা উল্লেখ করেছেন।

বিজ্ঞাপন

এ বিষয়ে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ‘প্রাথমিক তদন্তে জানা যাচ্ছে, আত্মহত্যাই করেছেন বিদিশা। উদ্ধার হয়েছে সুইসাইড নোটও। যদিও সেখানে কী লেখা রয়েছে তা এখনই প্রকাশ্যে আনতে না-রাজ পুলিশ।’

ওই প্রতিবেদনে আরও জানানো হয়, পরিবার ও বন্ধুদের দাবি পল্লবী দে-র মতো সম্পর্কের টানাপোড়েনের জেরেই নাকি নিজেকে শেষ করে দিয়েছেন বিদিশা। এক জিম ট্রেনার, অনুভব বেরার সঙ্গে সম্পর্কে ছিলেন তিনি। তবে সম্প্রতি অন্য মেয়ের সঙ্গে অনুভবের সম্পর্কের কথা জানতে পারে সে। এতেই ভেঙে পড়ে বিদিশার মন।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বিদিশার এক বন্ধুর বরাতে ওই প্রতিবেদনে আরও জানানো হয়, সম্প্রতি নাকি বিদিশা জানিয়েছিলেন, ‘পল্লবীর মতো ফুরিয়ে যেতে ইদানিং আমারও খুব ইচ্ছে করে’।

বুধবার নাগেরবাজারের ফ্ল্যাট থেকে উদ্ধার হয় বিদিশার ঝুলন্ত দেহ। অথচ বুধবার ভোররাতেও ফেসবুকে অ্যাক্টিভ ছিলেন অভিনেত্রী। তবে কি মানসিক অবসাদ ঘিরে ধরেছিল বিদিশাকে? পরিচিতমহলের দাবি, গত কয়েকদিন ধরেই নিজেকে গুটিয়ে নিচ্ছিলেন বিদিশা।

অন্যদিকে কলকাতা টিভির একটি প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, ২১ বছরের বিদিশা বিনোদন জগতে নিজেকে প্রতিষ্ঠা করতে চেয়েছিলেন। পেশাগত চাপের জন্যই তাকে আত্মহননের পথ বেছে নিতে হয়েছে। জীবন যুদ্ধের এই লড়াইতে বিদিশা যে সাফল্য পাচ্ছিলেন না, আশানুরূপ কাজ পাচ্ছিলেন না। কাজের আশায় তিনি কাকিনাড়া বাড়ি ছেড়ে নাগেরবাজারে ফ্লাট নিয়েছিলেন।