পর্দা নামলো বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির নাট্যকলা ও চলচ্চিত্র বিভাগ আয়োজিত ৫ দিনব্যাপী ‘চতুর্থ বাংলাদেশ স্বল্পদৈর্ঘ্য ও প্রামাণ্য চলচ্চিত্র উৎসব ২০২৫’-এর। শনিবার (৩১ মে) সন্ধ্যা ৭ টায় জাতীয় নাট্যশালা মিলনায়তনে উৎসবের সমাপনী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
সমাপনী অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্য প্রদান করেন বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির সচিব ও দায়িত্বপ্রাপ্ত মহাপরিচালক মোহাম্মদ ওয়ারেছ হোসেন। বিশেষ অতিথির বক্তব্য প্রদান করেন বিশিষ্ট চলচ্চিত্র নির্মাতা শাহীন দিল-রিয়াজ।
এতে উৎসব পরিচালকের বক্তব্য প্রদান করেন বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির নাট্যকলা ও চলচ্চিত্র বিভাগের পরিচালক ফয়েজ জহির এবং উৎসব সমন্বয়ক হিসেবে স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন নাট্যকলা ও চলচ্চিত্র বিভাগের সহকারী পরিচালক (প্রোগ্রাম প্রডাকশন, সিনেমাটোগ্রাফি) মো. ইকরামুল ইসলাম।
‘চতুর্থ বাংলাদেশ স্বল্পদৈর্ঘ্য ও প্রামাণ্য চলচ্চিত্র উৎসব ২০২৫’-এর প্রদর্শিত চলচ্চিত্র থেকে জুরি কমিটি কর্তৃক নির্বাচিত শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র (কাহিনীচিত্র) পুরস্কার পায় ‘ফুলেরা পোষাক পরেনা’, পরিচালক- আসিফ ইউ হামিদ। শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র নির্মাতা (কাহিনীচিত্র) পুরস্কার পান সালমা সুলতানা আশা, চলচ্চিত্র- ‘সাইলেন্স ইন দ্য ক্যাওয়াস’ এবং বিশেষ জুরি (কাহিনীচিত্র) পুরস্কার পায় ‘দাঁড়কাক’, পরিচালক- জায়েদ সিদ্দিকী।
শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র (প্রামাণ্যচিত্র) পুরস্কার পায় ‘ওয়েটিং ফর সিনেমা’, পরিচালক- সাঈদী হাসান রাব্বি। শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র নির্মাতা (প্রামাণ্যচিত্র) পুরস্কার পান সাঈদী হাসান রাব্বি, চলচ্চিত্র- ‘ওয়েটিং ফর সিনেমা’। বিশেষ জুরি (প্রামাণ্যচিত্র) পুরস্কার পায় ‘দ্য স্ক্র্যাপ’, পরিচালক- মাসউদুর রহমান। এছাড়া উভয় ক্যাটাগরি থেকে সার্বিকভাবে ৪টি বিশেষ পুরস্কার প্রদান করা হয়।
এগুলোর মধ্যে শ্রেষ্ঠ চিত্রগ্রাহক পুরস্কার পান সাদেকুল ইসলাম জুবায়ের বিল্লাল হোসেন, চলচ্চিত্র- সাইলেন্স ইন দ্য ক্যাওয়াস। শ্রেষ্ঠ সম্পাদকের পুরস্কার পান মো. আজহারুল হক, চলচ্চিত্র- ঘরে ফেরা। শ্রেষ্ঠ শব্দ পরিকল্পকের পুরস্কার পান আহসান আল মিরাজ, চলচ্চিত্র-নেকলেস এবং শ্রেষ্ঠ প্রযোজনা পরিকল্পকের পুরস্কার পান নাজমুল মুহাম্মদ, চলচ্চিত্র-নেকলেস।
পুরস্কার এর অর্থ মূল্য হিসেবে শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র ১ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা, শ্রেষ্ঠ নির্মাতা ১ লক্ষ টাকা এবং বিশেষ জুরি হিসেবে ৫০ হাজার টাকার চেক প্রদান করা হয়। বিশেষ পুরস্কার এর অর্থ মূল্য হিসেবে শ্রেষ্ঠ চিত্রগ্রাহক, শ্রেষ্ঠ সম্পাদানা, শ্রেষ্ঠ শব্দ পরিকল্পনা এবং শ্রেষ্ঠ প্রযোজনা পরিকল্পনা হিসেবে প্রতিটির জন্য ৩০ হাজার টাকার চেক প্রদান করা হয়। এছাড়াও প্রদর্শিত চলচ্চিত্রের নির্মাতাগণকে প্রদর্শনী সার্টিফিকেটসহ উৎসব স্মারক প্রদান করা হয়।
প্রসঙ্গত, ৮টি বিভাগীয় শহরে একযোগে ২৭ মে থেকে ৩১ মে পর্যন্ত ‘চতুর্থ বাংলাদেশ স্বল্পদৈর্ঘ্য ও প্রামাণ্য চলচ্চিত্র উৎসব ২০২৫’-এ ৮৯টি চলচ্চিত্র প্রদর্শন করা হয়। যার মধ্যে ৬০টি ফিকশন এবং ২৯টি প্রামাণ্যচিত্র।







