গার্মেন্টসকর্মী রুবেলকে হত্যার নির্দেশদাতা হিসেবে ক্রিকেটার সাকিব আল হাসানের বিরুদ্ধে ২২ আগস্ট ডিএমপির আদাবর থানায় একটি হত্যা মামলায় দায়ের হয়েছে। সাকিব আল হাসানকে মামলার ২৮ নম্বর এজাহার নামীয় আসামি করা হয়েছে। এছাড়া মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, ওবায়দুল কাদেরসহ আরও ১৫৬ জনকে আসামি করা হয়েছে। মামলায় অজ্ঞাত আরও ৪০০-৫০০ জনকে আসামি করা হয়েছে।
সাকিবের বিরুদ্ধে মামলার বিষয়ে ঢাকা মহানগর (ডিএমপি) পুলিশের কমিশনার মো. মাইনুল হাসান বলেছেন, যেকোনো মামলায় অপরাধীর সম্পৃক্ততা থাকে। আন্দোলনের বিরুদ্ধে যারা অর্থ, পরামর্শ ও মিডিয়াতে উস্কানিমূলক বক্তব্য দিয়েছেন তাদের বিষয়ে তদন্ত হবে।
আজ শনিবার দুপুরে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত ‘কমিশনার’স মিট দ্য প্রেসে’ সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা জানান।
মামলার এজাহারে বাদী অভিযোগ করে বলেন, গত ৫ আগস্ট রুবেল আদাবরের রিংরোডে প্রতিবাদী মিছিলে অংশ নেয়। এ সময় আসামিদের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ নির্দেশ, প্ররোচনা, সাহয্য, সহযোগিতা ও প্রত্যক্ষ মদদে কেউ মিছিলে গুলি ছুড়ে। বুকে ও পেটে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় রুবেলকে হাসপাতালে নিলে চিকিৎসারত অবস্থায় ৭ আগস্ট মারা যান।
ক্রিকেটার সাকিব আল হাসান জুলাইয়ের শুরু থেকেই বাংলাদেশের বাইরে। গণমামলায় সাকিব আল হাসানের বিরুদ্ধে মামলার বিষয়ে ডিএমপি কমিশনারকে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন: যেকোনো মামলায় অপরাধীর সম্পৃক্ততা থাকে। তারা হয়তো অপরাধ সংগঠনে বিভিন্নভাবে সহয়তা করেছেন। অনেকেই অর্থ, পরামর্শ ও মিডিয়াতে উস্কানিমূলক বক্তব্য দিয়েছেন।







