চলছে পবিত্র রমজান মাস। এ সময় প্রাপ্তবয়স্ক মুসলমানদের জন্য রমজানের এক মাস রোজা রাখা ফরজ। রোজা রাখলে দেহের অভ্যন্তরে ঘটে এমন কিছু পরিবর্তন, যা আমাদের সুস্থ ও সবল রাখতে সাহায্য করে। রমজানের প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় ১০ দিনে রোজার রাখার ফলে আমাদের দেহের অভ্যন্তরে কী কী ঘটে চলুন বিস্তারিত জেনে আসি এই সর্ম্পকে।
রোজার প্রথম কয়েকদিন শরীরে তেমন কোন প্রভাব পড়ে না। যেহেতু সারাদিন খাবার না খেয়ে থাকতে হয় সে ক্ষেত্রে শরীরের চর্বি খরচ হতে শুরু করে যা ওজন কমতে শুরু করে। সারাদিন না খেয়ে থাকার কারণে সুগার বা শর্করার মাত্রা কমে যায় সে কারণে শরীর কিছুটা দুর্বল হয়ে যায় এবং ঝিমুনির ভাব আসতে পারে। এছাড়াও কারো কারো ক্ষেত্রে মাথাব্যথা, মাথা ঘোরা, বমি বমি ভাব বা নিঃশ্বাসে সাথে দুর্গন্ধ হতে পারে।এই সময়টাতে আসলে শরীরে সবচেয়ে বেশি ক্ষুধা লাগে।
৩ হতে ৭ রোজার মধ্যে শরীরের পানি শূন্যতা দেখা দেয়। ৮ থেকে ১৫ রোজার মধ্যে রোজার সঙ্গে শরীর মানিয়ে নিতে শুরু করে। এই সময় শরীরের ক্ষত সারিয়ে তোলা বা সংক্রমণ রোধে সাহায্য করে।
১৬ থেকে ৩০ রোজার মধ্যে শরীর হয়ে যায় ভারমুক্ত।তখন শরীর পুরোপুরি রোজার সঙ্গে মানিয়ে নেয়। টানা রোজা রাখার ফলে শরীরের পাচকতন্ত্র, যকৃৎ, কিডনি এবং দেহত্বক এক ধরণের পরিবর্তনের ভেতর দিয়ে যাবে। সেখানে থেকে সব দূষিত বস্তু বেরিয়ে শরীর শুদ্ধ হয়ে উঠবে।






