বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ড. মাহদী আমিন বলেন, স্বয়ং প্রধান উপদেষ্টার আমন্ত্রণে সরকারী সফরে যাওয়ার পরেও, নিউ ইয়র্ক এয়ারপোর্টে কেন তাসনিম জারা ও আখতার হোসেনকে হেনস্তার শিকার হতে হলো?
বৃহস্পতিবার ২৫ সেপ্টেম্বর ড. মাহদী আমিন তার ভ্যারিফায়েড ফেসবুক পেইজের এক পোস্টে এসব কথা উল্লেখ করেন।
তিনি পোস্টে উল্লেখ করেন, পলাতক স্বৈরাচারের কর্মীদের হাতে জারাকে আক্রমণের ভিডিওটা দেখলাম। ওর জায়গায় নিজের বোনকে কল্পনা করলে যে কেউ শিউরে উঠবেন। নারী নেত্রীকে সুরক্ষিত রাখতে না পারা এবং তরুণ নেতার ওপর আঘাতের দায় কার?
পোস্টে তিনি আরও লেখেন, ঘৃণিত ফ্যাসিস্ট শক্তি নিয়মিত আঘাত হানছে, বিদেশের মাটিতে দেশের মান সম্মান ধুলিস্যাৎ করতে চাচ্ছে। তবু গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের সম্মান কেন রক্ষা করা হচ্ছে না? দুই দিন পেরিয়ে গেলেও, কেন তদন্ত বা শাস্তির কোনো দৃশ্যমান উদ্যোগ নেই?
এয়ারপোর্টে বিপুল উপস্থিতি সত্ত্বেও, বিএনপির নেতাকর্মীদের ভুল গেটের সামনে দাঁড় করিয়ে কীভাবে প্রোটোকল ও নিরাপত্তা থেকে বঞ্চিত করা হলো, এমন প্রশ্ন করে তিনি পোস্টে লেখেন, এম্বাসিগুলোতে ভিআইপিদের সফরের সময় প্রফেশনাল প্রোটোকল টিম থাকে। তাদের ব্যর্থতা কোথায় ছিল? এটি কি পরিকল্পিত, নাকি চরম অব্যবস্থাপনার ফল?
গণঅভ্যুত্থানের এক বছর পরেও, ফ্যাসিবাদের দোসররা গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক পদে বহাল রয়েছে উল্লেখ করে ড. মাহদী আমিন প্রশ্ন করেন, কারা তাদের প্রমোট করছে, পোস্টিং ধরে রাখছে? এগুলো এখনো, এতোবার হাইলাইট সত্ত্বেও, পরিবর্তন হচ্ছে না?
পোস্টে তিনি লেখেন, জাতিসংঘের এবারকার অধিবেশনে বাংলাদেশ থেকে ১০৪ সদস্যের সুবিশাল ডেলিগেশন গিয়েছে। হাসিনা আমলের ধারাবাহিকতায়, সরকারি ব্যয়ে এতো মানুষের যুক্তরাষ্ট্র ভ্রমণের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য কী?
পোস্টে তিনি আরও লেখেন, এই প্রশ্নগুলোর উত্তর জানা এবং জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা আজ সময়ের দাবি। না হলে ন্যায়ের পক্ষে দাঁড়ানোর এবং অতীতের ভুলের চক্র থেকে বেরিয়ে আসার ন্যূনতম নৈতিক শক্তিও আমরা হারিয়ে ফেলব।







