ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টে এগিয়ে থেকে দ্বিতীয় ইনিংস শুরু করেছিল সাউথ আফ্রিকা। তৃতীয় দিনের শুরুতে দ্রুতই উইকেট হারিয়েছিল প্রোটিয়ারা। ৫১ রানে ফিরেছিলেন চার ব্যাটার। এরপর হাল ধরেন অধিনায়ক টেম্বা বাভুমা। তার অপরাজিত শতকের ইনিংসে চালকের আসনেই স্বাগতিক দল।
দ্বিতীয় ইনিংসে ৭ উইকেটে ২৮৭ রানে তৃতীয় দিন শেষ করেছে প্রোটিয়ারা। লিড পেয়েছে ৩৫৬ রানের। সংগ্রহ বাড়াতে কেশভ মাহারাজকে নিয়ে চতুর্থ দিনে মাঠে নামবেন ১৭১ রান করা বাভুমা। মাত্র ৫১ রানে ফেরেন চার ব্যাটার। ১০৩ রানে পঞ্চম উইকেট হারায় প্রোটিয়ারা।
এরপর উইয়ান মুলডারকে নিয়ে হাল ধরেন বাভুমা। ১০৩ রানের জুটি গড়েন তারা। বাভুমার শতকের পর ২০৬ রানে সাজঘরে ফেরেন মুলডার। ৪২ রান করেন তিনি। ৭ম উইকেট জুটিতে সিমন হার্মারকে নিয়ে আরও ৭১ রান যোগ করেন স্বাগতিক অধিনায়ক। ২৭৭ রানে ফেরেন হার্মার।
৭ উইকেট হারিয়ে ২৮৭ রান সংগ্রহ করে কেশভ মাহারাজকে নিয়ে তৃতীয় দিন শেষ করেন বাভুমা। এতে স্বাগতিক দল লিড পেয়েছে ৩৫৬ রানের।
দ্বিতীয় ইনিংসে ওয়েস্ট ইন্ডিজের হয়ে ২টি করে উইকেট নেন মায়ার্স ও যোসেফ। কেমার রোচ ও রেইমন রেইফার নিয়েছেন একটি করে উইকেট।
এর আগে বুধবার জোহানেসবার্গের দ্য ওয়ান্ডারার্স স্টেডিয়ামে টসে জিতে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেন অধিনায়ক বাভুমা। এইডেন মার্করাম ও টনি ডি জর্জির দৃঢ়তায় ৩২০ রানে থামে সাউথ আফ্রিকার প্রথম ইনিংস। দলের সর্বোচ্চ ৯৬ রান আসে টি-টুয়েন্টি অধিনায়ক ডানহাতি মার্করামের ব্যাট থেকে।
বাঁহাতি টপঅর্ডার ব্যাটার টনি ডি জর্জির থেকে আসে ৮৫ রান। এছাড়া ডিন এলগার ৪২, অধিনায়ক বাভুমা ২৮ ও রায়ান রিকেলটনের ২২ রানের ইনিংসে ৩২০ রানে থামে সাউথ আফ্রিকা। ওয়েস্ট ইন্ডিজের আলজারি যোসেফ, কাইল মায়ার্স ও গুডাকেশ ৩টি করে উইকেট নেন।
জবাবে নেমে মাত্র ২৫১ রানে থামে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। ৩১ বর্ষী ডানহাতি পেস অলরাউন্ডার জেসন হোল্ডার ছাড়া আর কোনো ব্যাটার উল্লেখযোগ্য রান করতে পারেননি। বার্বাডোসের এই অলরাউন্ডার ৮১ রানে অপরাজিত থাকেন। এছাড়া মায়ার্স ২৯, রস্টন চেজ ২৮ ও উইকেটকিপার ব্যাটার জসোয়া ডি সিলভা ২৬ রান করেন।
৬৯ রানের লিড পায় সাউথ আফ্রিকা। প্রোটিয়াদের হয়ে জেরাল্ড কোয়েৎজি ৩টি, কাগিসো রাবাদা ও সিমন হার্মার ২টি করে উইকেট নেন।
সেঞ্চুরিয়ানে প্রথম টেস্ট জিতে দুই টেস্টের সিরিজে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে টেম্বা বাভুমার সাউথ আফ্রিকা।








