“ভুলে যাওয়ার বিরুদ্ধে আমাদের সম্মিলিতভাবে লড়তে হবে”-আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা এফআইডিএইচ-এর প্রেসিডেন্ট অ্যালিস মগওয়ের সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে এই মন্তব্য করেন সংস্কৃতি বিষয়ক উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী।
সোমবার (৬ অক্টোবর) এফআইডিএইচ প্রেসিডেন্ট অ্যালিস মগওয়ে জুলাই গণআন্দোলন স্মৃতি জাদুঘর পরিদর্শন করেন এবং সংস্কৃতি বিষয়ক উপদেষ্টা ফারুকীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। এ সময় সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের সচিব এবং জাতীয় জাদুঘরের মহাপরিচালক উপস্থিত ছিলেন।
জাদুঘর পরিদর্শন শেষে অ্যালিস মগওয়ে বলেন, “স্মৃতি শুধু অতীতের জন্য নয়, ভবিষ্যতের জন্যও জরুরি।” তিনি আরও যোগ করেন, “জুলাইয়ের এই জাদুঘর বর্তমানে এক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও প্রয়োজনীয় কাজের সঙ্গে যুক্ত।”
সংস্কৃতি উপদেষ্টা ফারুকী বলেন, “আমরা একটি জাতি হিসেবে ভুলে যাওয়ার প্রবণতার বিরুদ্ধে সম্মিলিতভাবে লড়ছি। ১৬ বছরের নির্যাতন ও মানবতাবিরোধী অপরাধ সমাজে গভীর ক্ষত সৃষ্টি করেছে। আমরা অনুপ্রেরণা পাই সেই সব নিখোঁজ ভুক্তভোগীদের পরিবারের কাছ থেকে, যাদের প্রিয়জন আর কখনও ফিরে আসেননি। তাদের পরিবারের জন্য এটি এক অমীমাংসিত যন্ত্রণা- যা মৃত্যু মেনে নেওয়ার চেয়েও কঠিন।”
অ্যালিস মগওয়ে ফারুকীর বক্তব্যের সঙ্গে একমত প্রকাশ করে বলেন, সমাজের সম্মিলিত মানসিক আঘাত (কালেক্টিভ ট্রমা) নিরসনে উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন। জবাবে ফারুকী জানান, জাদুঘরে ভবিষ্যতে ট্রমা রেসপন্স সাপোর্ট চালু করা হবে- এর মধ্যে থাকবে কাউন্সেলিং সেশন ও ভুক্তভোগী পরিবার এবং দর্শনার্থীদের জন্য একটি হটলাইন নম্বর।
আলোচনা শেষে অ্যালিস মগওয়ে এই উদ্যোগগুলোর প্রতি তার দৃঢ় সমর্থন ব্যক্ত করেন।








