প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, খালখনন কমসূচির মধ্য দিয়ে দেশ গড়ার কর্মসূচি শুরু করলাম।
সোমবার (১৬ মার্চ) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে দিনাজপুরের কাহারোলে খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধনকালে তিনি এ মন্তব্য করেন।
নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী ‘দেশব্যাপী নদী-নালা-খাল, জলাধার খনন ও পুনঃখনন’ কর্মসূচি শুরু করেছে বিএনপি সরকার। দিনাজপুরের কাহারোল উপজেলার বলরামপুরের সাহাপাড়ায় খাল খননের মাধ্যমে একযোগে দেশের ৫৪টি খালের খনন কর্মসূচির উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী।
সাহাপাড়ায় নিজে কোদাল হাতে খাল খননে নামেন প্রধানমন্ত্রী। খাল খনন কর্মসূচিকে ঘিরে স্থানীয় মানুষদের মাঝে আনন্দ ও উচ্ছ্বাস দেখা যায়। এতে পানির সমস্যার সমাধান হবে বলে মনে করছেন তারা।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, যেই কাজগুলো করলে মানুষের উপকার হয় বিএনপি সেই কাজগুলো করার চেষ্টা করবে। সাহাপাড়ার এই খাল খননের ফলে ৩ লক্ষ মানুষ উপকৃত হবে। নির্বাচনের আগেই যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম সেগুলো পূরণ করছি।
তিনি বলেন, প্রায় সকল খাল ভরাট হয়ে গেছে। এমনকি বর্ষার মৌসুমেও পানি পাওয়া যায় না। সে জন্যই পানিকে ধরে রাখতে চাই। যেন সব মৌসুমেই কৃষকরা পানি পায়। আগামী ৫ বছরে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খনন করবো।
ফ্যামিলি কার্ড নিয়ে প্রধানমমন্ত্রী বলেন, চিন্তা করার কোন কারণ নেই- সবার কাছে ধীরে ধীরে ফ্যামিলি কার্ড পৌঁছে দিব।
প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের কারণে অর্থনীতিতে চাপ পরেছে কিন্তু তারপরও আমরা আমাদের প্রতিশ্রুতি পূরণে কাজ শুরু করেছি।
তিনি বলেন, শহীদ জিয়া, খালেদা জিয়া ছিলেন কৃষকের বন্ধু। কৃষক ভাল থাকলে দেশ ভাল থাকে। কৃষিনির্ভর কলকারখানা গড়ে তোলার উদ্যোগও নিয়েছি। মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তনই বিএনপির রাজনীতি। আমাদেরকে সতর্ক রাখতে হবে যারা বিভিন্ন কথা বলে বিভ্রান্ত করে। জনগণ সঙ্গে থাকলে যে কোন পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা সম্ভব।
এর আগে সকাল ৯টা ৩০মিনিটে একটি অভ্যন্তরীণ ফ্লাইটে ঢাকা বিমানবন্দর থেকে সৈয়দপুর বিমানবন্দরের উদ্দেশ্যে রওনা দিয়ে সৈয়দপুর পৌঁছে সেখান থেকে সড়ক পথে কর্মসূচিস্থলে যান প্রধানমন্ত্রী।








