পাকিস্তানের বিপক্ষে টেস্ট সিরিজ ডেভিড ওয়ার্নারের ক্যারিয়ারের শেষ সিরিজ। সিডনি টেস্টের মধ্য দিয়ে সাদা পোশাকের ক্রিকেটকে বিদায় জানানোর কথা আগেই জানিয়েছিলেন অস্ট্রেলিয়ার ওপেনার। এবার ওয়ানডে ক্রিকেটকেও বিদায় জানালেন ৩৭ বর্ষী বাঁহাতি তারকা।
সোমবার সংবাদ সম্মেলনে ওয়ার্নার ৫০ ওভারের ক্রিকেটকে বিদায়ের কথা জানিয়েছেন। ভারতের বিপক্ষে ২০২৩ ওয়ানডে বিশ্বকাপ ফাইনাল ম্যাচটি তার ক্যারিয়ারের শেষ ওয়ানডে হয়ে থাকল। ওই ম্যাচে ভারতকে হারিয়ে নিজেদের ষষ্ঠ শিরোপা জিতে নেয় অস্ট্রেলিয়া।
ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া (সিএ) চাইলে ২০২৫ সালের চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে খেলবেন বলেও জানিয়েছেন অজিদের তারকা ব্যাটার। ক্যারিয়ারের বাকি সময় আন্তর্জাতিক ও ফ্র্যাঞ্চাইজি টি-টুয়েন্টি নিয়ে ব্যস্ত থাকতে চান।
সংবাদ সম্মেলনে ওয়ার্নার বলেছেন, ‘একদিনের ক্রিকেট থেকেও অবসর নিচ্ছি। ভারতের মাটিতে বিশ্বকাপ জেতাটা ছিল একটি বড় অর্জন। আজ আমি দুটি সংস্করণ থেকেই অবসরের সিদ্ধান্ত নিচ্ছি।’
‘ওয়ানডে ক্রিকেটকে বিদায় জানালেও অস্ট্রেলিয়ার হয়ে টি-টুয়েন্টি ও ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগগুলো খেলে যাবো। আমার অবসরে অস্ট্রেলিয়াকে এগিয়ে নেবে তরুণরা, তবে আগামী দুই বছর যদি ছন্দে থাকি, আর দল যদি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে আমাকে খেলানোর অনুভব করে, সেক্ষেত্রে খেলার চেষ্টা করব। ’
আগামী মাসে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ থেকে আগেই নাম সরিয়ে নিয়েছিলেন ওয়ার্নার। এরপর থেকে আলোচনায় আসে তার ওয়ানডে ক্যারিয়ার।
অস্ট্রেলিয়ার হয়ে ২০০৯ সালে ওয়ানডেতে অভিষেক ওয়ার্নারের। একযুগের বেশি সময়ে খেলেছেন ১৬১টি ওয়ানডে, ৪৫.৩০ গড়ে করেছেন ৬,৯৩২ রান। রানের দিক থেকে অস্ট্রেলিয়ার ষষ্ঠ সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক তিনি। এ সংস্করণে ২২টি শতক আছে করেছেন, যেদিক থেকে তার উপরে এবং শীর্ষে থাকা রিকি পন্টিংয়ের আছে ৩০টি শতক।








