ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে সারাদেশে উৎসবমুখর ও শান্তিপূর্নভাবে ভোটগ্রহন চলছে।
বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ৭ টায় একযোগে ভোটগ্রহণ শুরু হয় যা চলবে একটানা বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত।
লালমনিরহাট জেলার তিনটি সংসদীয় আসনের ৩৮৬টি কেন্দ্রে উৎসবমুখর ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে। শীত উপেক্ষা করেই সকালের দিকে কেন্দ্রগুলোতে নারী ও বয়োজ্যেষ্ঠ ভোটারদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। সময় বাড়ার সাথে সাথে ভোটারদের লাইন আরও দীর্ঘ হচ্ছে।
জেলা নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা গেছে, লালমনিরহাট জেলার তিনটি আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ১১ লাখ ৩৬ হাজার ৪৮৯ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ৫ লাখ ৬৭ হাজার ৮৬৪ জন, নারী ভোটার ৫ লাখ ৬৮ হাজার ৬১৮ জন এবং তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার ৭ জন।
নেত্রকোনার ৫টি সংসদীয় আসনে উৎসব মুখর ও শান্তিপূর্ণভাবে ৬৭৬টি কেন্দ্রে ভোটগ্রহন চলছে। সকালে নেত্রকোনা -৩ আসেন বেশ কয়েক কেন্দ্র ঘুরে ভোটারদের বেশ উপস্থিতি দেখা গিয়েছে। বিশেষ করে কেন্দুয়া টেঙ্গুরি হাফেজিয়া মাদ্রাসা কেন্দ্রে নারী ভোটারদের উপস্থিতি ছিল সবচেয়ে বেশী। ভোটাররা বলছেন, উৎসবমুখর ও শান্তিপূর্ণ ভাবে ভোট দিতে পেরে তারা বেশ খুশি। তবে গণভোট সম্পর্কে স্বচ্ছ ধারণা নেই অনেক ভোটারদের।
জাতীয় সংসদ নির্বাচনের কক্সবাজারের চারটি আসনে সকাল থেকে উৎসব মুখর পরিবেশে ভোট গ্রহণ শুরু হয়েছে। ভোর হওয়ার আগে থেকেই সবাই স্ব-স্বকেন্দ্রে লাইনে দাঁড়িয়ে যায়। সবগুলো কেন্দ্রে ভোটারদের ব্যাপক উপস্থিতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে। কক্সবাজারের চারটি সংসদীয় আসনের সবগুলো কেন্দ্রে ভোটারদের ব্যাপক উপস্থিতি রয়েছে। এখন পর্যন্ত কোনো অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি।
সারাদেশের ন্যায় টাঙ্গাইলের আটটি সংসদীয় আসনে সকাল সাড়ে সাতটা থেকে কঠোর নিরাপত্তা ও উৎসব মুখর পরিবেশে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের ভোট গ্রহণ শুরু হয়েছে। কেন্দ্রগুলোতে ভোটারদের উপস্থিতও লক্ষ করা যাচ্ছে। টাঙ্গাইলে ১ হাজার ৬৩টি কেন্দ্রে প্রায় সাড়ে ৩৩ লাখ ভোটার তাদের ভোট প্রদান করবেন।
খাগড়াছড়ি জেলার ২০৩টি কেন্দ্রে শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোটগ্রহণ চলছে। এই জেলায় সকাল থেকে ভোটার উপস্থিতি তুলনামূলক কম থাকলেও বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে তা বাড়তে পারে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন। বিশেষ করে প্রত্যন্ত পাহাড়ি কেন্দ্রগুলোতে ভোটার উপস্থিতি এখনো কম।








