বাংলাদেশের প্রাণিসম্পদ খাতে খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দীর্ঘমেয়াদি চ্যালেঞ্জের কথা তুলে ধরেছে ইউএসএআইডি ও পার্ডু ইউনিভার্সিটির যৌথ গবেষণা।
আজ সোমবার ৯ ডিসেম্বর গুলশানের রেনেসাঁ হোটেলে ইউএসএআইডি-অর্থায়িত “ফিড দ্য ফিউচার বাংলাদেশ লাইভস্টক অ্যান্ড নিউট্রিশন অ্যাকটিভিটি” আয়োজিত একটি কর্মশালায় এ গবেষণার ফলাফল উপস্থাপন করা হয়।
গবেষণায় দেখা গেছে, দেশের পশুপালন খাতে নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে অবকাঠামোগত ঘাটতি, অপর্যাপ্ত স্বাস্থ্যবিধি, এবং স্থানীয় পর্যায়ে খাদ্য নিরাপত্তা সম্পর্কে সচেতনতার অভাব বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। পার্ডু ইউনিভার্সিটির ফুড সেফটি ইনোভেশন ল্যাবের সহায়তায় পরিচালিত “ফুড সেফটি গ্যাপ অ্যানালাইসিস” শীর্ষক এ গবেষণার ফলাফল বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি সংস্থার প্রতিনিধিদের সামনে উপস্থাপন করা হয়।
অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি এবং প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. মো. রেজাউল হক বলেন, নিরাপদ দুধ ও মাংস প্রক্রিয়াকরণ জনস্বাস্থ্য রক্ষার পাশাপাশি স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক বাজারে বাণিজ্য সম্প্রসারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের (বিএফএসএ) সদস্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ শোয়েব বলেন, খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বাজারের বিভিন্ন অংশীদারদের সঙ্গে সমন্বয় ও স্থানীয় ব্যবসায়ীদের দক্ষতা উন্নয়নে উদ্যোগ নেওয়া জরুরি।ইউএসএআইডি বাংলাদেশের ইকোনমিক গ্রোথ অফিসের পরিচালক মি. জোসেফ লেসার্ড বলেন, খাদ্য নিরাপত্তার উন্নয়ন শুধুমাত্র জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় নয়, খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং দেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতিতেও গুরুত্বপূর্ণ।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ইউএসএআইডি’র ফিড দ্য ফিউচার সমন্বয়কারী আলেক্সিস পোলোভিনা, প্রজেক্ট ম্যানেজমেন্ট স্পেশালিস্ট মেহেদী হাসান, মোহাম্মদ নুরুজ্জামান, ফরহাদ হোসেনসহ সরকারি, বেসরকারি এবং উন্নয়ন সহযোগী সংস্থার প্রতিনিধিরা।
কর্মশালায় অংশগ্রহণকারীরা দুধ ও মাংসের মূল্য শৃঙ্খলে খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিভিন্ন উদ্যোগের ওপর আলোচনা করেন এবং সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্বের মাধ্যমে সমন্বিত পদক্ষেপ নেওয়ার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।








