আর্জেন্টিনা-নেদারল্যান্ডস ম্যাচের সময় গ্রান্ট ওয়াল নামে এক মার্কিন সাংবাদিকের মৃত্যু হয়েছে। ৪৮ বর্ষী সাংবাদিকের মৃত্যু ঘিরে জল ঘোলা হতে শুরু করেছে। ভাইয়ের অভিযোগ, গ্রান্টকে হত্যা করা হয়েছে। সমকামীদের সমর্থনের জন্য তাকে কদিন আগে পুলিশ হেফাজতে নেয়া হয়েছিল।
সমকামীদের পক্ষে সোচ্চার ওয়ালের মৃত্যুর জন্য কাতার সরকারকে দায়ী করেছে মার্কিন ওই সাংবাদিকের পরিবার। হঠাৎ এমন মৃত্যুতে ক্রীড়ার বিশ্ব আয়োজনটিতে নেমে এসেছে শোকের ছায়া।
ওয়ালের এজেন্টের বরাতে সংবাদ, শুক্রবার খেলার প্রতিবেদন নিয়ে ব্যস্ততার মধ্যেই ‘তীব্র যন্ত্রণায়’ ভুগে মারা যান তিনি।
গ্রান্টের মৃত্যুর পেছনে কাতার প্রশাসনকে দায়ী করে ভাই এরিক বলেছেন, ‘আমার নাম এরিক ওয়েল। আমি ওয়াশিংটনের সিয়াটলের বাসিন্দা। গ্রান্ট ওয়েলের ভাই। আমি সমকামী। আমার জন্যই বিশ্বকাপে ভাই রংধনু শার্ট পরেছিল। আমাকে বলেছিল, ওকে খুনের হুমকি দেয়া হচ্ছে। আমার ভাই সুস্থই ছিল। ওর স্বাভাবিক মৃত্যু হয়েছে, এটা মানতে পারছি না। আমার মনে হয় ওকে হত্যা করা হয়েছে। আমি সাহায্য প্রার্থনা করছি।’
আর্জেন্টিনা-নেদারল্যান্ডস ম্যাচের সময় স্টেডিয়ামেই অসুস্থ হয়ে পড়েন ওয়াল। প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাতে খবর, খেলা চলাকালে আচমকাই আসন থেকে নিচে পড়ে যান ওয়াল। সঙ্গে সঙ্গে তাকে চিকিৎসা দেয়া হয়। কিন্তু বাঁচানো যায়নি।
বিশ্বকাপে এবার আমেরিকার প্রথম ম্যাচে আল রাইয়ান স্টেডিয়ামে গ্রান্টকে ঢুকতে বাধা দেয়া হয়েছিল। সমকামীতার সমর্থনে তিনি রংধনু শার্ট পরেছিলেন। স্টেডিয়ামের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তারা তাকে মাঠে ঠুকতে বাধা দেয় এবং সেসময় ফোনও কেড়ে নেয়া হয়। রাখা হয় হেফাজতে। পরে অবশ্য স্টেডিয়াম কর্তৃপক্ষ ও ফিফা ক্ষমা চেয়েছিলেন গ্রান্টের কাছে।







