ইরানের জ্বালানি ডিপোতে বড় ধরনের হামলার পর মিত্র দেশ ইসরায়েলের প্রতি অসন্তোষ প্রকাশ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। হামলার ব্যাপ্তি অনেক বেশি হওয়ায় ওয়াশিংটন থেকে তেল আবিবে ‘ডব্লিউটিএফ’ (হোয়াট দ্য ফা**) বার্তা পাঠানো হয়।
আজ ৯ মার্চ সোমবার প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনে এনডিটিভি জানিয়েছে, ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধের অষ্টম দিনে শনিবার ইসরায়েলি বিমানবাহিনী ইরানের প্রায় ৩০টি জ্বালানি ডিপোতে হামলা চালায়, যা তেহরানে বিশাল অগ্নিকাণ্ড ও ঘন ধোঁয়ায় রাজধানীকে ঢেকে দেয়। এসব স্থাপনা ইরানি শাসকগোষ্ঠী সামরিকসহ বিভিন্ন ভোক্তাকে জ্বালানি সরবরাহে ব্যবহার করে। হামলার উদ্দেশ্য ছিল ইরানকে বার্তা দেওয়া বেসামরিক অবকাঠামোতে হামলা বন্ধ করতে।
এক ইসরায়েলি কর্মকর্তা জানান, “যুক্তরাষ্ট্রের বার্তা ছিল সরাসরি ‘ডব্লিউটিএফ’ (হোয়াট দ্য ফা**)”। এক মার্কিন কর্মকর্তা বলেন, “এটা ভালো সিদ্ধান্ত ছিল না।” মার্কিন সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওসের প্রতিবেদনে জানা গেছে, ইসরায়েল হামলার আগে যুক্তরাষ্ট্রকে অবহিত করলেও আক্রমণের বিস্তৃতি ওয়াশিংটনের প্রত্যাশার চেয়ে অনেক বেশি ছিল। এতে দুই মিত্রের মধ্যে যুদ্ধ শুরুর পর প্রথম বড় মতবিরোধ দেখা দেয়।
ট্রাম্পের এক উপদেষ্টা বলেন, প্রেসিডেন্ট এই হামলা পছন্দ করেননি। তিনি তেল সংরক্ষণ করতে চান, পোড়াতে নয়। যুক্তরাষ্ট্র উদ্বিগ্ন যে, সাধারণ ইরানিদের ব্যবহৃত অবকাঠামোতে হামলা ইরানি সমাজকে শাসকগোষ্ঠীর পক্ষে ঐক্যবদ্ধ করতে পারে এবং তেলের দাম বাড়িয়ে দিতে পারে।
ইরানের পক্ষ থেকে হুঁশিয়ারি এসেছে এই ধরনের হামলা অব্যাহত থাকলে তারা অঞ্চলজুড়ে একইভাবে প্রতিক্রিয়া জানাতে পারে, যাতে তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ২০০ ডলার ছাড়িয়ে যেতে পারে। হোয়াইট হাউস ও ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী এ বিষয়ে মন্তব্য করেনি। দুই দেশের শীর্ষ পর্যায়ে আলোচনার মাধ্যমে মতবিরোধ সমাধানের চেষ্টা চলছে।







