রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের অনমনীয় অবস্থানের প্রেক্ষাপটে ইউক্রেন-রাশিয়া শান্তি আলোচনায় মধ্যস্থতার ভূমিকায় আর থাকছে না যুক্তরাষ্ট্র। এর আগে যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভান্স এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রী মার্কো রুবিও একই সুরে কথা বললেও এবার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
রয়টার্স জানিয়েছে, স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার ২ মে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ট্যামি ব্রুস বলেন, আমরা সহযোগিতা অব্যাহত রাখবো, তবে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে বৈঠক আয়োজনের প্রক্রিয়া থেকে আমরা সরে যাচ্ছি। এখন সময় এসেছে যুদ্ধ বন্ধে বাস্তবসম্মত ও সুনির্দিষ্ট প্রস্তাব নিয়ে সরাসরি আলোচনা শুরু করার।
তিনি বলেন, আমরা সারা পৃথিবীতে বৈঠকে মধ্যস্থতা করার জন্য দৌড়ে বেড়াব না। তবে দুই দেশ যাতে কোনো চুক্তিতে পৌঁছোয়, সে জন্য যুক্তরাষ্ট্র বদ্ধপরিকর। এই সংঘাত কী ভাবে শেষ হবে, তা নিয়ে ভাবনাচিন্তা করতে হবে দুই দেশকেই। এটা ওই দুই দেশের ওপর নির্ভর করছে।
এমন এক সময় এ সিদ্ধান্ত এলো, যখন ইউক্রেন ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে একটি খনিজ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে এবং সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প পুনরায় ইউক্রেনকে সামরিক সহায়তায় সবুজ সংকেত দিয়েছেন। যদিও শুরুতে তিনি যুদ্ধ নিয়ে ইউক্রেনকে দায়ী করে আসছিলেন, সম্প্রতি তার বক্তব্যে পুতিনের প্রতি হতাশা স্পষ্ট।
ক্রেমলিন এর আগেও শান্তি আলোচনায় আগ্রহ প্রকাশ করলেও, গত সপ্তাহে তারা যুক্তরাষ্ট্রের দেওয়া এক প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছে। ওই প্রস্তাবে রাশিয়ার দখলে থাকা ইউক্রেনের অঞ্চলগুলোকে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি না দেওয়ার অবস্থান ছিল।








