যুক্তরাষ্ট্র সরকার রাশিয়ার বিরুদ্ধে নতুন অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা চূড়ান্ত করেছে-যার মধ্যে ব্যাংকিং ও জ্বালানি খাতে কঠোর পদক্ষেপ রয়েছে। ইউক্রেন ইস্যুতেই এই নিষেধাজ্ঞা আরোপের প্রস্তুতি নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। তবে দেশটির প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এতে স্বাক্ষর করবেন কি না তা স্পষ্ট নয়।
আজ ৩ মে শনিবার প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনে রয়টার্স জানিয়েছে, ইউক্রেন যুদ্ধের অবসানে ডোনাল্ড ট্রাম্পের শান্তি প্রচেষ্টাকে সফল করতে এবং রাশিয়ার ওপর চাপ বাড়াতেই এসব নিষেধাজ্ঞা প্রস্তুত করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন দেশটির প্রশাসনের একাধিক কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্ট একটি সূত্র।
নিষেধাজ্ঞার লক্ষ্যবস্তু হিসেবে রুশ রাষ্ট্রায়ত্ত জ্বালানিকৌশল সংস্থা গ্যাজপ্রমসহ প্রাকৃতিক সম্পদ ও ব্যাংকিং খাতে যুক্ত বৃহৎ প্রতিষ্ঠানের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। যদিও এসব পদক্ষেপ কার্যকর হবে কি না, তা এখনও নিশ্চিত নয়। কারণ, চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য এসব প্রস্তাব ট্রাম্পের স্বাক্ষরের অপেক্ষায় রয়েছে।
এদিকে সাবেক মার্কিন ইউক্রেন বিষয়ক দূত ও ন্যাটো প্রতিনিধি কার্ট ভোলকার বলেছেন, ট্রাম্প অনেকবার পুতিনকে শান্তির প্রস্তাব দিয়েছেন, কিন্তু পুতিন তা প্রত্যাখ্যান করে যাচ্ছেন। এখন সময় এসেছে রাশিয়ার ওপর চাপ বাড়ানোর। ট্রাম্প ও ইউক্রেন এখন একসুরে যুদ্ধবিরতির দাবি জানাচ্ছে, পুতিন এখন একমাত্র বাধা।
কোনো মন্তব্য করবেন না উল্লেখ করে যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের মুখপাত্র জেমস হিউইট বলেন, একটি পূর্ণাঙ্গ এবং ব্যাপক যুদ্ধবিরতি অর্জনে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প দৃঢ় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। তবে চলমান আলোচনা নিয়ে আমরা প্রকাশ্যে কোনো মন্তব্য করি না।








