হরমুজ প্রণালিতে একটি মালবাহী জাহাজে ড্রোন হামলার জেরে আবারও ইরানে সামরিক হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। এর পাল্টা জবাব হিসেবে মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সামরিক স্থাপনাগুলো লক্ষ্য করে হামলার দাবি করেছে ইরানের ইসলামী বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি)। এতে দুই দেশের মধ্যে সদ্য স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারকের ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন করে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।
শনিবার (২৭ জুন) আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক সামরিক কমান্ড (সেন্টকম) এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন মজুতকেন্দ্র এবং উপকূলীয় রাডার স্থাপনায় হামলা চালানো হয়েছে। সেন্টকমের দাবি, আন্তর্জাতিক নৌ-চলাচলের স্বাধীনতা বাধাগ্রস্ত করায় এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
সেন্টকমের ঘোষণার কিছুক্ষণ পরই দক্ষিণ ইরানের সিরিক বন্দরের কাছে বিস্ফোরণের খবর পাওয়া যায়। এর জবাবে আইআরজিসি জানায়, তারা মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সামরিক স্থাপনাগুলো লক্ষ্য করে পাল্টা হামলা চালিয়েছে। সরকারি সংবাদ সংস্থা ইরনায় প্রকাশিত বিবৃতিতে বাহিনীটি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছে, ভবিষ্যতে যেকোনো হামলার জবাব আরও কঠোরভাবে দেওয়া হবে।
দুই দেশের পাল্টাপাল্টি এ হামলায় গত ১৭ জুন স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারক কার্যকর থাকা নিয়ে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে। উভয় পক্ষই একে অপরের বিরুদ্ধে যুদ্ধবিরতি ও চুক্তির শর্ত লঙ্ঘনের অভিযোগ তুলছে। সমঝোতা অনুযায়ী লেবাননসহ সব ফ্রন্টে সামরিক অভিযান স্থায়ীভাবে বন্ধ রাখা এবং আলোচনার মাধ্যমে অমীমাংসিত বিষয়গুলোর সমাধানে পৌঁছানোর কথা ছিল। তবে সংঘাত শুরুর পর ইরান হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দিলে বিশ্ববাজারে জ্বালানি, সার ও অন্যান্য নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দামে বড় ধরনের প্রভাব পড়ে।







