দীর্ঘ দিন ধরেই মার্কিন নাগরিকদের মত প্রকাশের স্বাধীনতাকে দমিয়ে রাখা হয়েছে বলে অভিযোগ করলেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও। তবে এ বার তা আর সহ্য করা হবে না। মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানিয়েছেন, সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মে আমেরিকান নাগরিকদের বক্তব্য ‘সেন্সর’ করলেই ভিসা নিষেধাজ্ঞাসহ কড়া পদক্ষেপ নেয়া হবে।
এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মে আমেরিকান নাগরিকদের মন্তব্য বা মত প্রকাশ ‘সেন্সর’ করার চেষ্টায় জড়িত বিদেশি কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে ভিসা নিষেধাজ্ঞা আরোপের নতুন নীতি চালু করেছে যুক্তরাষ্ট্র।
এক বিবৃতিতে পররাষ্ট্রমন্ত্রী রুবিও বলেন, যখন বিদেশি সরকারী কর্মকর্তারা গ্রেপ্তারের হুমকি দেন বা শাস্তিমূলক ব্যবস্থার চেষ্টা করেন শুধুমাত্র আমেরিকানদের সোশ্যাল মিডিয়ায় মতপ্রকাশ ঠেকাতে, তখন তা সম্পূর্ণ অগ্রহণযোগ্য।
রুবিওর বিবৃতিতে কোনো নির্দিষ্ট দেশের নাম বা ব্যক্তি চিহ্নিত না করা হলেও তিনি ইঙ্গিত দেন, বেশ কিছু বিদেশি সরকারী কর্মকর্তা তাদের ক্ষমতার অপব্যবহার করে মার্কিন প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান এবং নাগরিকদের ওপর সেন্সরশিপ চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেছেন। যারা ওই কাজ করবেন, সেই বিদেশিদের ওপর ওয়াশিংটন ভিসা নিষেধাজ্ঞা দেবে বলেও জানিয়েছেন তিনি।
তিনি বলেন, মার্কিন মাটিতে অবস্থানরত অবস্থায় আমেরিকানদের পোস্টের জন্য বিদেশি সরকারের পক্ষ থেকে গ্রেপ্তারের পরোয়ানা জারি করা যেমন অগ্রহণযোগ্য, তেমনি যুক্তরাষ্ট্রের বাহিরে বসেও মার্কিন সোশ্যাল মিডিয়া কোম্পানিকে বিশ্বব্যাপী সেন্সরশিপ বাস্তবায়নে বাধ্য করার চেষ্টাও বরদাস্ত করা হবে না।
রুবিওর মতে, আমেরিকান নাগরিকরা যদি যুক্তরাষ্ট্রের ভেতর থেকে কোনো মতামত দেন, তাহলে কোনও বিদেশি সরকার সেই মতপ্রকাশের ওপর চাপ সৃষ্টি করতে পারে না। এমনকি এসব কনটেন্ট নিয়ে কোনও সোশ্যাল মিডিয়া কোম্পানির কাছে সরিয়ে নেওয়ার দাবি করাও “অযৌক্তিক”।








