ষষ্ঠ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের চতুর্থ অর্থাৎ শেষ ধাপে ৬০ উপজেলায় শুরু হয়েছে ভোটগ্রহণ। বুধবার ৫ জুন সকাল ৮টা ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে যা চলবে বিকাল ৪টা পর্যন্ত।
শেষ ধাপের নির্বাচনকে ঘিরে সব ধরণের প্রস্তুতি শেষ করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। নির্বাচনী এলাকাগুলোতে মোতায়েন করা হয়েছে ১৭৫ প্লাটুন বিজিবি সদস্য।
চতুর্থ ধাপের নির্বাচনের জন্য তফসিল ঘোষণা হয়েছিল ৫৫ উপজেলার। কিন্তু নানা কারণে আজ ভোট হবে ৬০ উপজেলায়। ৬০টি উপজেলার মধ্যে ৬টি তে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনে এবং বাকি ৫৪টি উপজেলায় কাগজের ব্যালট পেপারে ভোটগ্রহণ হচ্ছে।
ঘূর্ণিঝড়ের রেমালের কারণে তৃতীয় ধাপে স্থগিত হওয়া চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ ও কচুয়া উপজেলা পরিষদেরও ভোট হবে চতুর্থ ধাপে। এবার ৬০টি উপজেলায় ৫ হাজার ১৪৪টি ভোটকেন্দ্র এবং ১ কোটি ৪৩ লাখ ৫৭ হাজার ৮২০ জন ভোটার রয়েছেন।
নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, চতুর্থ ধাপে মোট ৭২১ জন প্রার্থী রয়েছেন। সাধারণ কেন্দ্রে ১৭ জন এবং ঝুকিপূর্ণ কেন্দ্রে ১৮ থেকে ১৯ জন আইনশৃঙ্খলার সদস্য মোতায়েন থাকবে।
প্রথম ধাপের ১৩৯ উপজেলায় ভোট হয়েছে গত ৮ মে। এসব উপজেলায় গড়ে প্রায় ৩৬ শতাংশ ভোট পড়ে। ২১ মে দ্বিতীয় ধাপে ভোট পড়ে ৩৮ শতাংশ। ২৯ মে তৃতীয় ধাপে ভোট পড়ে ৩৬ শতাংশ। এদিকে, ঘূর্ণিঝড় রেমালের কারণে স্থগিত থাকা ২০ উপজেলায় ভোট হবে আগামী ৯ মে।
নির্বাচনের মনোনয়ন ফরম জমার শেষ সময় ছিল গত ৯ মে, বাছাই ১২ মে। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ সময় ছিল ১৯ মে। আর প্রতীক বরাদ্দ দেয়া হয় ২০ মে।








