মো. রাসেল, বরগুনা:
বরগুনায় বয়ষ্ক ভাতা, বিধবা ভাতা ও চাল বিতরণে সুবিধাভোগীদের কাছ থেকে টাকা নেয়ার অভিযোগে গোলাম ফরিদ নামের এক ইউপি সদস্যকে সাময়িক বরখাস্ত করেছে বাংলাদেশ সরকারের স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়।
মঙ্গলবার ১৩ জুন সন্ধ্যায় বিষয়টি নিশ্চিত করেন সংশ্লিষ্ট ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আজিজুল হক স্বপন। এর আগে গত ৫ জুন সোমবার বাংলাদেশ সরকারের স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে তাকে বরখাস্ত করা হয়।
গোলাম ফরিদ সদর উপজেলার ঢলুয়া ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য।
জানা যায়, বয়ষ্ক ভাতা, বিধবা ভাতা, ন্যায্য মূল্যে চালসহ বিভিন্ন সুবিধা দেওয়ার কথা বলে মানুষের কাছ থেকে টাকা নেওয়ার অভিযোগ উঠে গোলাম ফরিদের বিরুদ্ধে। অভিযোগ সত্যতা মিললে তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। গত ৫ জুন সিনিয়র সহকারী সচিব জেসমিন প্রধান সাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এ বিষয়টি জানানো হয়। তবে এতদিন বিষয়টি ধামাচাপা থাকলেও আজ বিকেলে ইউপি সদস্য গোলাম ফরিদ বরখাস্তের বিষয়টি জনসম্মুখে আনেন।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত ইউপি সদস্য গোলাম ফরিদের মোবাইলফোনে একাধিকবার ফোন করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
ঢলুয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আজিজুল হক স্বপন বলেন, গোলাম ফরিদ ইউপি সদস্য নির্বাচিত হওয়ার পর থেকে তিনি জেলে কার্ড, বিধবা ভাতা, ভিজিডি কার্ডসহ সকল ধরনের সরকারী সুযোগ সুবিধা পাইয়ে দেওয়ার কথা বলে বিভিন্ন সময়ে সাধারণ জনগনের কাছ থেকে নগদ অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ ছিল। আমার কাছে একটি লিখিত অভিযোগ আসে আমি সরেজমিনে গিয়ে এটার তদন্ত করি এবং সত্যতা পাই।

তিনি আরও বলেন, পরে স্থানীয় ভুক্তভোগী জনগণ উপজেলা পরিষদের জেলা প্রশাসক বরাবর ইউপি সদস্য গোলাম ফরিদ এর দুর্নীতির বিরুদ্ধে অভিযোগ দেন এবং একজন ট্যাগ অফিসারকে তদন্ত করার নির্দেশনা দেন। অভিযোগের সত্যতা পেয়ে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় তাকে বহিষ্কার করে। তবে বিষয়টি আমি এবং আমার পরিষদ জানতাম না, আজকে জানতে পেরেছি।







